প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২০ পিএম আপডেট: ১৭.০৯.২০২৬ ৬:২১ পিএম
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ছবি : সময়ের আলো গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নতুন করে পাঁচজনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে তিনজন পুরুষ এবং হাসপাতালের বারান্দায় একজন নারী রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা হলেন উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মজিদপাড়া গ্রামের মো. হযরত আলীর ছেলে মো. আঙ্গুর মিয়া, শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. কাজিউল মিয়া, একই ইউনিয়নের মো. রবিউল ইসলামের ছেলে মো. আল আমিন মিয়া এবং হরিপুর ইউনিয়নের কাশিমবাজার ডাঙ্গারচর গ্রামের মো. মোসলিম মিয়ার স্ত্রী মোছা. ফুলমতি বেগম।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফুলমতি বেগম তারাপুর ইউনিয়নের চৈতন্য বাজার এলাকায় বেড়াতে গিয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। অন্য তিনজন ঢাকা থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরেন। ওষুধ খাওয়ার পরও জ্বর না কমায় তারা সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে পরীক্ষায় তাদের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
ডেঙ্গু আক্রান্ত মো. কাজিউল মিয়া বলেন, আমি ঢাকায় চাকরি করি। কয়েক দিন আগে জ্বর নিয়ে বাড়িতে আসি। ওষুধ খাওয়ার পরও জ্বর না কমায় সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে পরীক্ষা করে জানতে পারি, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছি। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি।
আঙ্গুর মিয়ার বাবা হযরত আলী বলেন, কয়েক দিন ধরে আমার ছেলের শরীরে জ্বর ছিল। প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে করে স্থানীয়ভাবে ওষুধ খাওয়ানো হয়। কিন্তু জ্বর না কমায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে পরীক্ষা করে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. কামরুল হাসান বলেন, ডেঙ্গুর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে কয়েকজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় পাঁচজনের ডেঙ্গু পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সময়ের আলো/এনএন