দখল-লুটপাটে রাজনীতি!

সালাহ উদ্দিন চৌধুরী ও আদিল সরকার

জাতীয়

সারা দেশে সাম্প্রতিক একের পর এক লুটপাট, ভাঙচুর, জবরদখল, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় জনমনে গভীর

2026-09-28T00:41:27+00:00
2026-09-28T00:41:27+00:00
 
  সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয়
ফের প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা
দখল-লুটপাটে রাজনীতি!
সালাহ উদ্দিন চৌধুরী ও আদিল সরকার
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪১ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
সারা দেশে সাম্প্রতিক একের পর এক লুটপাট, ভাঙচুর, জবরদখল, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় জনমনে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিচয় বা আশ্রয়-প্রশ্রয়ের অভিযোগে সংঘটিত দখল, হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া কালো টাকার সম্ভাব্য অপব্যবহার, রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ছড়িয়ে পড়া মব ভায়োলেন্সের ধারাবাহিকতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তাদের মতে, এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দলীয় আত্মশুদ্ধির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারকে কঠোর, দৃঢ় ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নিতে হবে।

রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র : গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা চালায়। ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে তারা নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে এবং হাত-পা বেঁধে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও অর্থ লুট করে। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। 

‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত আসনের একজন এমপি এবং স্থানীয় বিএনপির এক নেতার নামও উঠে আসে। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পরবর্তী তদন্তে দায়িত্ব পালনে পুলিশের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

প্লট দখলে কিশোর গ্যাং : মিরপুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত শনিবার মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধসংলগ্ন চাঁদ উদ্যানে পুলিশ বিট অফিসের সামনে একটি প্লট দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ সময় নির্মাণাধীন প্লটটির অফিসকক্ষ ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ কাজে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের ব্যবহার করা হয়।

তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জনৈক আলম ওই জমির দখলে ছিলেন। ঘটনার সময় জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে আনুমানিক ১৫০ থেকে ২০০ জন লোক বেআইনিভাবে জমিতে প্রবেশ করে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে। তারা ভেতরে প্রবেশ করে অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং সীমানায় নতুন করে টিনের বেড়া দিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা করে।

‘টাকা দে, বাড়িতে থাকিস টাকা দিস না, বের হ’ : একই দিনে রাজধানীর আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় একটি বাড়ি দখলের চেষ্টা করা হয়। ওই দিন ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল দেশি অস্ত্র নিয়ে বাড়িটিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা বাড়ির মূল ফটকে চাপাতি ও রামদা দিয়ে কোপানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে।

ঘটনা বিষয়ে বাড়ির মালিক আমিনুর রহমান খানের ভাতিজা মো. রাজু জানান, হামলাকারীরা প্রথমে বাড়ির মূল ফটক খুলে সবাইকে বের হয়ে যেতে বলে। ভেতর থেকে কেউ বের না হওয়ায় তারা বাইরে থেকে ‘টাকা দে, বাড়িতে থাকিস টাকা দিস না, বের হ’ বলে হুমকি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে।


বাদ যাচ্ছেন না কনটেন্ট ক্রিয়েটরও : এ তিনটি ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ও স্থাপনাতেও হামলা চালায় কয়েকশ দুর্বৃত্ত। স্থানীয়রা জানান, তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। 

তারা গুলি করতে করতে হাউজিংয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু হয়ে চলে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। পুলিশ বলছে, জমিজমাকেন্দ্রিক দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

অন্যদিকে সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেছেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ এবং চাঁদার দাবিতে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, সালমানের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে হামলা হয়নি এবং চাঁদাবাজির ঘটনাও ঘটেনি বলে তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।

কুড়াল হাতে ছাত্রদল নেতা : গত ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় চাইনিজ কুড়াল হাতে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ তাওকিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ২৫ জন আহত হয়।

উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের আখড়া বাজার এলাকায় জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহিনের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। সৈয়দ তাওকিরের কুড়াল হাতে থাকার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এসেছে।

হত্যা-ছিনতাইয়েও উদ্বেগ : শুধু দখল ও লুটপাটই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সংঘটিত বেশ কিছু নৃশংস হত্যা ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

একদিকে কুমিল্লায় ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ ১৩ বছরের স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, অন্যদিকে খুলনায় ‘ভাত চুরির’ অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা— এ ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। এর আগে ঢাকার সাভারে পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা, শনির আখড়ায় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা, ছিনতাই ও একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। 

অন্যদিকে পুলিশের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মদদপুষ্ট ব্যক্তিরাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে ভূমিকা রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি টিআইবির : সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ জানানোর পাশাপাশি জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে বিএনপির উদ্দেশে সারা দেশে দলীয় আত্মশুদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি রাজধানীর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লুটপাট, ভাঙচুর ও জবরদখল, কিশোরগঞ্জে জলমহাল দখল নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কার্যালয় ও স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ জানায়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ে নির্বাচিত দল ক্ষমতায় আসার পর তাদের নেতাকর্মীদের এমন কর্মকাণ্ড দেশবাসীর কাছে কী বার্তা দিচ্ছে, তা নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারকদের ভাবা প্রয়োজন। সংস্থাটি এসব ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়’ উল্লেখ করে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি সারা দেশে দলীয় আত্মশুদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানায়।

‘কালো টাকা অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ব্যবহার হতে পারে’ : মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক সময়ের আলোকে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কাছে যে বিপুল পরিমাণ টাকা আছে, স্বাভাবিকভাবেই তারা সেগুলোর একটি অংশ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে। সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য এ অর্থ তারা ব্যবহার করছে এবং করবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সরকার সেই অর্থও ফেরত আনতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া মব ভায়োলেন্স এখন অনেকটা কমে গেলেও পুরোপুরি দূর হয়নি। সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় এর প্রয়োগ দেখা গেছে। এটি একটি অপসংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। তবে এটিও মনে রাখতে হবে, ক্ষমতাসীনদের নির্দেশনাতেই এসব মব ভায়োলেন্স হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের কালো টাকা, মব ভায়োলেন্স এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে ব্যর্থতা সরকারকে দুর্বল অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এই অপরাধ বিশেষজ্ঞ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রত্যাশিত উন্নতি হচ্ছে না। পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি, জনগণের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমানোসহ যেসব সংস্কারমূলক কাজ করা প্রয়োজন ছিল, সেগুলো করা হচ্ছে না।

তবে সময় এখনও শেষ হয়ে যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স খুব বেশিদিন হয়নি। এখনও সময় আছে দৃঢ়তা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সবকিছু মোকাবিলা করার। তবে পুলিশ যদি এখনও পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করে, তা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে বলে সতর্ক করেন তিনি।


‘মব এখন রাজনৈতিক মবে রূপান্তরিত হয়েছে’ : অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক সময়ের আলোকে বলেন, সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় মবের নতুন রূপান্তর দেখা গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেমন যে কেউ মব করত, এখন সেটি পাল্টে রাজনৈতিক মবে রূপান্তরিত হয়েছে। 

তিনি বলেন, বর্তমানে যারা মব করছে বা দখলদারিত্ব করছে, তারা হয় রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত, না হয় এর আশপাশের কেউ অথবা রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রয়েছে। সবার ক্ষেত্রে আইন সমানভাবে প্রয়োগ করতে না পারলে এসব ঘটনার লাগাম টানা যাবে না। বর্তমানে রাজনৈতিক বিত্তশালীরা টাকার বিনিময়ে অপরাধ করাচ্ছেন কি না সেই বিষয়টিও ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে।

এই অপরাধ বিশেষজ্ঞ বলেন, সব রাজনৈতিক দলের সরকারের সময়ই এসব ঘটনা ঘটে। শুধু পেছনের মানুষগুলো পরিবর্তন হয়ে যায়। প্রতিটি ঘটনার সমান গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা না নিলে তা কমবে না। এ ছাড়া দেশের নিরাপত্তা নষ্ট করতে আওয়ামী আমলে তৈরি ব্ল্যাক মানি বা কালো টাকা ব্যবহার করা হতে পারে। তাই এই কালো টাকার প্রভাব নিয়ন্ত্রণে সরকারের সদিচ্ছা থাকতে হবে এবং কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে এমন পরিস্থিতি যেকোনো সরকারের জন্যই চাপ উল্লেখ করে তৌহিদুল হক বলেন, দখলবাজি ও চাঁদাবাজির এসব ঘটনা সরকারের জন্য অবশ্যই চাপের, যা যেকোনো সরকারের জন্যই অশনিসংকেত।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   দখল  লুটপাট  রাজনীতি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: