মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে জমি দখলের চেষ্টার ঘটনায় ৮ জন এবং আদাবর থানার শ্যামলী হাউজিং এলাকায় একটি বাড়িতে হামলার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা জানিয়েছেন, রোববার ঢাকা ও ঢাকা বাইরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে, শনিবার সকালে চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের রোজ ভিলাসংলগ্ন এলাকায় ৩৫ কাঠা জমি দখলের চেষ্টায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩৫ কাঠার জায়গাটি চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান মো. আলম হোসেনের কাছ থেকে ২০০৪ সালে কিনে নেন হুমায়ুন নামে তার এক স্বজন। সেখানে প্লট ও মার্কেট তৈরি করা হচ্ছিল। প্লট আকারে আরও ২৯ জনের কাছে শেয়ার বিক্রি করা হয়। জায়গাটিতে বর্তমানে শপিং মল তৈরির কাজ চলছিল। তবে, ৫ আগস্টের পর আলম হোসেন পলাতক। তার অনুসারীরা এটি দেখাশোনা করছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৩৫ কাঠার জমি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মালিকানার বিরোধ রয়েছে। তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা জানান, জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে ১৫০ থেকে ২০০ জন লোক জমিতে প্রবেশ করে পুরনো বেড়া ভেঙে দেয় এবং নতুন করে বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করে। উভয় পক্ষ জমিটির মালিকানা নিয়ে নিজ নিজ কাগজপত্র থাকার দাবি করছে।
অন্যদিকে, একই দিন সকাল ৬টার দিকে আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের একটি আটতলা বাড়িতে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল হামলা চালায়। বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, হামলাকারীরা মূল ফটক খুলে সবাইকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এ সময় তারা টাকা দাবি করেন। পরে চাপাতি ও রামদা দিয়ে বাড়ির গেটে কোপানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। ইটের টুকরা ছুড়ে দ্বিতীয় তলার আরও দুটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সময়ের আলো/মহু