জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ থেকে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া আসনটি যে দল বা জোটের অনুকূলে বরাদ্দ ছিল, তাদেরই থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ইসি রহমানেল মাছউদ বলেন, আইন অনুযায়ী আসনটি শূন্য ঘোষণার পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট হবে। আর একজন প্রার্থী থাকলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।
তিনি বলেন, ‘যে দল বা জোটের জন্য আসনটি বরাদ্দ, সেই দল বা জোটই শূন্য আসনটি পাবে। আসনটি যার কোটায়, শূন্য হওয়ার পরও সেই দল বা জোটই আসনটি পাবে।’
ইসি জানিয়েছে, শূন্য হওয়া নারী আসনটি বিএনপির জন্য বরাদ্দ ছিল। ফলে উপ-নির্বাচনে বিএনপি বা সংশ্লিষ্ট জোটের মনোনীত প্রার্থীই এ আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর সংসদ সচিবালয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের জন্য সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। জামায়াতের জোট পেয়েছে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট পেয়েছে একটি আসন।
সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইনের ১৬ ধারার অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের কোনো আসন শূন্য হলে ওই আসন যে রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টিত, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্য থেকেই আসনটি পূরণ করা হবে।
সময়ের আলো/জেডি