জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে দাঁড়িয়ে ‘এটা যুদ্ধ, মাননীয় আদালত’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
রোববার (১১ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে মামলার কার্যক্রম পেছানোর বিরোধিতা করে প্রসিকিউশন যুক্তি উপস্থাপনের সময় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
এদিন মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় দশম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন বিটিআরসির এক কর্মকর্তা। মামলায় পলক ছাড়াও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কেও আসামি করা হয়েছে।
সাক্ষীর জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর জেরা করার কথা ছিল পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদের। তবে, তিনি পর্যাপ্ত সময় চান। একইসঙ্গে জয়ের পক্ষে নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মঞ্জুর আলমও একই আর্জি জানান। তাদের দাবি, প্রসিকিউশনের সরবরাহ করা নথির কিছু পৃষ্ঠা অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থক। তাই নথিগুলোর স্পষ্ট কপি সরবরাহ এবং সাক্ষীকে জেরা করার জন্য আরও সময় প্রয়োজন।
এ সময় আবেদনের বিরোধিতা করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। আসামিপক্ষ যেসব নথির কথা বলছে, সেগুলো ওই দিনের জেরার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয় বলে যুক্তি দেন তিনি।
তখন পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘পলকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের সাজা হতে পারে। তাই আসামিপক্ষকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া উচিত।’
পরে বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি করে জেরার জন্য সোমবার (১২ অক্টোবর) দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
সময়ের আলো/মহু