প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
২০২৩ সাল থেকে সুদানের সরকারি বাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। ছবি : সংগৃহীত সুদানের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। চিকিৎসাকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। দেশটির চলমান গৃহযুদ্ধে সরকারি বাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) বিরুদ্ধে এসব হামলার অভিযোগ উঠেছে।
সুদানের গৃহযুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন ইমার্জেন্সি লইয়ার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানী খার্তুমে ড্রোন হামলায় ৩ শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, শুক্রবার থেকে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে ১৬০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
২০২৩ সাল থেকে সুদানের সরকারি বাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ড্রোনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানিও বাড়ছে।
সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাটি হয়েছে রোববার সন্ধ্যায় দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ওয়েস্ট কর্ডোফান রাজ্যের আল-দিবাব শহরে একটি বাজারের কাছে। এলাকাটি আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসাকর্মীদের ভাষ্য, বাজারের দিন শেষে বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় একটি পরিবহনকেন্দ্রে জড়ো হয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। এ সময় ড্রোন হামলায় ৮০ জন নিহত হন।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে একটি চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় আহত ৪৭ জনকে কাছের আল-মুজলাদ শহরে নেওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মধ্যে ৩০ জনের মৃত্যু হয়।
আরএসএফের স্বঘোষিত প্রশাসন তাসিস এবং ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এ হামলার জন্য সুদানের সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
সূত্র : আলজাজিরা
সময়ের আলো/মহু