প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৮ পিএম আপডেট: ২২.১০.২০২৬ ২:১০ পিএম
ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। ছবি : সংগৃহীত বাংলাদেশের দুর্গাপূজা দেখে মুগ্ধ হয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন সঞ্চালক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। বুধবার (২১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লেখেন, বাংলাদেশের পূজা এবার চমকে দেওয়ার মতো, সাবাশ বাংলাদেশ!
ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে চমকে দিয়েছে চট্টগ্রাম! কলকাতার সমস্ত পুরস্কার আয়োজকদের একটা করে পুরস্কার রাখা উচিত চট্টগ্রামের পূজাগুলির জন্য। যদি সম্ভব হয় কুরিয়ার করে এই পূজাগুলিকে সম্মান জানান। ওরা আনন্দিত হবে।’
বাংলাদেশে এসে দুর্গাপূজা উদযাপন করার আগ্রহ প্রকাশ করে ময়ূখ বলেন, ‘এ বছর ডিজিটাল মাধ্যমে অনেক ঠাকুর দেখলাম বাংলাদেশে। কোনো এক বছর পায়ে হেঁটে প্যান্ডেল ঘুরব। ওখানে ফুচকা পাওয়া যায়? তাহলে ফুচকা খাব। ক্লান্ত হলে মশলা কোলা। আর কী কী খাওয়া যায়?’
এই টিভি সঞ্চালক বলেন, ‘চট্টগ্রামের পূজাগুলোর মধ্যে আমার চোখে সমানভাবে এক নম্বরে থাকবে : ষোড়শীকুঞ্জ সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম ও উত্তর কাট্টলী, তালুকদার বাড়ি (বাণী মন্দির) প্রাঙ্গণ, চট্টগ্রাম। তারপরেই থাকবে খলিফাপট্টি আর ব্রজধাম স্মৃতি সংসদ ও বাকিগুলি।’
তিনি আরও মণ্ডপ দেখার আকাঙ্ক্ষা থেকে বলেন, ‘যেগুলি মিস করলাম, আমাকে জানান- পরেরবার আগে থেকে প্রচার করব।’
ময়মনসিংহের দুর্গাবাড়ি রোডের সিঁদুরখেলার মিছিল দেখে আপ্লুত ময়ূখ বলেন, “আমার মনে হচ্ছিল, ওখানে চলে যাই! দেবের ‘ভজগৌরাঙ্গের নাম রে’ গানের তালে গোটা সনাতনী সমাজ নাচছে! দারুণ। পরেরবার চেষ্টা করুন, সুপারস্টার দেব লাইভ যেন থাকে। সঙ্গে শাকিব খান। জমে যাবে কিন্তু।”
কুমিল্লার পূজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লার রথের উৎসব অভূতপূর্ব। থিমের পূজা চোখে পড়ল না। সিলেটেও তাই। মিস করে গেলে ট্যাগ করে দিয়েন। খুশির খবর, কুমিল্লার বরুড়া গ্রামে প্রথমবার মায়ের পূজা আবার নতুন করে হলো। একসময় ওই গ্রামে দারুণ করে পূজা হতো।’
সময়ের আলো/মহু