শিক্ষক নিয়োগের ৯ মামলায় জালিয়াতির অভিযোগ, আইনজীবীকে আপিল বিভাগে তলব

আদালত প্রতিবেদক

আইন-আদালত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত নয়টি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে তলব করেছেন সর্বোচ্চ আদালত আপিল

2026-10-28T23:52:42+00:00
2026-10-28T23:52:42+00:00
 
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
আইন-আদালত
শিক্ষক নিয়োগের ৯ মামলায় জালিয়াতির অভিযোগ, আইনজীবীকে আপিল বিভাগে তলব
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত নয়টি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে তলব করেছেন সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বিচারপতির বেঞ্চে তিনি হাজির হয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আদেশ দেবেন আপিল বিভাগের এই আদালত।আদালতকক্ষে উপস্থিত সূত্র জানায়, শুনানিতে আদালত বলেছেন প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারপতিদের কাছ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৯১৯ নম্বর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর রায় দেন। ওই রায়ে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩’-এর ৭ নম্বর বিধি অনুযায়ী ৬০ শতাংশ নারী কোটা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি উল্লেখ করে তৎকালীন চূড়ান্ত ফলাফল বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে নতুন মেধাতালিকা তৈরি করে রিটকারীদের নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযোগ উঠেছে, মূল ৫৮ জন রিটকারীর বাইরে আরও ৬৪ জনকে সহ-পিটিশনার হিসেবে যুক্ত করতে এফিডেভিট করা হয়। তবে নিয়মিত সেকশন প্রক্রিয়া অনুসরণ, নাম তালিকাভুক্তকরণ কিংবা বিবাদী পক্ষ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে নোটিশ না দিয়েই নথি সরাসরি বিচারকের কাছে উপস্থাপন করা হয়।


অভিযোগ অনুযায়ী, মাত্র এক দিনের মধ্যে শুনানি নিয়ে আবেদন মঞ্জুর করা হয়। মূল শুনানির চার দিনের মাথায় দেওয়া রায়ে মূল রিটকারীদের বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়া সহ-পিটিশনারদের পক্ষে আদেশ দেওয়া হয়।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এ ধরনের মোট নয়টি মামলায় জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল বিভাগে শুনানির সময় মামলার নথিতে প্রক্রিয়াগত অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, মূল পিটিশনারদের কয়েকজনকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, আবার কয়েকজনকে যুক্ত করা হয়েছিল।

তিনি দাবি করেন, তিনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন, যদিও সেকশনে কিছু জটিলতা ছিল।তিনি বলেন, এডিশন অব পার্টি দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আদালত ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে। আমি মামলার কার্যক্রম যথাযথভাবে করেছি, আমার কোনো ত্রুটি হয়নি।এর আগে হাইকোর্টোর বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন। পরে রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

সময়ের আলো/টিকে
  বিষয়:   শিক্ষক নিয়োগের ৯ মামলায় জালিয়াতির অভিযোগ  আইনজীবীকে আপিল বিভাগে তলব  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: