প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম আপডেট: ২৯.১০.২০২৬ ৯:০৮ পিএম
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো । ছবি : সংগৃহীত বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন ও ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান বিধিবিধান অনুসরণ সহজ করতে বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনাগুলো একক নথিতে সংকলন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই সমন্বিত সার্কুলারে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার, ব্যাংকগুলোর লেনদেন, আমদানি বাণিজ্যে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং ভার্চুয়াল মুদ্রাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ -সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুসরণীয় নিয়মগুলো এক জায়গায় তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭’ -এর ২০(৩) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সার্কুলারটি জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ‘গাইডলাইনস ফর ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন-২০১৮’ -এর প্রথম খণ্ডে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রমসংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশনা এবং পরবর্তী সময়ে জারি করা সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলো রহিত করা হয়েছে। তবে ওই গাইডলাইনের দ্বিতীয় খণ্ডে মাসিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়ে থাকা নির্দেশনা আগের মতোই কার্যকর থাকবে।
নতুন সার্কুলারে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ ও প্রতিবেদন দাখিল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর লেনদেন এবং এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ ও নিষ্পত্তির নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব পরিচালনা, ব্যাংকগুলোর ওপেন পজিশন সীমা, নস্ট্রো হিসাব সমন্বয়, ফরওয়ার্ড লেনদেন ও সোয়াপসংক্রান্ত নির্দেশনাও এতে একীভূত করা হয়েছে।
আমদানি বাণিজ্যে পণ্যের দামের ওঠানামাজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় হেজিং কার্যক্রমের নির্দেশনাও রয়েছে নতুন সার্কুলারে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল সম্পদ ও ভার্চুয়াল মুদ্রার বিনিময়, স্থানান্তর এবং লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত বিধানগুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সার্কুলারটি জারির দিন থেকে এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম বিষয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা জারি হলে তা সমন্বিত সার্কুলারের সঙ্গে মিলিয়ে অনুসরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনা এক নথিতে সংকলিত হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত বিধিবিধান খুঁজে পাওয়া এবং তা অনুসরণ করা সহজ হবে। এতে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পরিচালনায় নির্দেশনার স্পষ্টতা বাড়বে এবং বিধিবিধান পরিপালনেও সুবিধা হবে।
সময়ের আলো/এসকে