প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৫ এএম
একটি বন্ড দিয়ে একাধিক ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ছবি : সংগৃহীতমাত্র ১০০ টাকা বিনিয়োগ করে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে সরকারি প্রাইজবন্ডে। এটি লটারি নয়, বরং সরকারের অনুমোদিত একটি সঞ্চয়ব্যবস্থা। এতে বিনিয়োগ করা অর্থ যেকোনো সময় ফেরত নেওয়া যায়। পাশাপাশি একটি বন্ড দিয়ে একাধিক ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াতে সরকার প্রাইজবন্ড চালু করে। বর্তমানে দেশে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড প্রচলিত রয়েছে। এতে কোনো সুদ বা মুনাফা দেওয়া হয় না। তবে বছরে চারবার ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র আয়োজন করা হয়। ড্রতে অংশ নিতে হলে বন্ড কেনার পর অন্তত দুই মাস পার হতে হবে।
প্রতিটি ড্রতে পাঁচ ধরনের পুরস্কার দেওয়া হয়। ৮২টি সিরিজের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা করে পান ৮২ জন। দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা করে পান ৮২ জন। তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ টাকা করে পান ১৬৪ জন। চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা করে পান ১৬৪ জন। আর পঞ্চম পুরস্কার ১০ হাজার টাকা করে পান ৩ হাজার ২৮০ জন। সব মিলিয়ে প্রতিটি ড্রতে পুরস্কার দেওয়া হয় ৩ হাজার ৭৭২টি।
প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে আয়কর আইন ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী ২০ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ছাড়া সব তফসিলি ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সঞ্চয় ব্যুরো এবং ডাকঘর থেকে প্রাইজবন্ড কেনা ও ভাঙানো যায়। এ জন্য কোনো আবেদন করতে হয় না।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু হলেও ১৯৯৫ সালে সেগুলো বাতিল করা হয়। বর্তমানে শুধু ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু রয়েছে। ১৯৯৫ সালের ২ জুলাই থেকে এর প্রচলন শুরু হয়।
সময়ের আলো/এমকে