প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
ছবি : সময়ের আলো৩ দফা দাবিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আনসারবাড়ীয়া রেলস্টেশনে ট্রেন থামিয়ে অবরোধ করেছে এলাকাবাসী। কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের আনসারবাড়ীয়া রেলস্টেশন চত্বরে বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। এতে ঢাকার সঙ্গে খুলনার সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেলওয়ের একটি প্রতিনিধি দল। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। পরে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি ও জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বৃহস্পতিবারের মধ্যে একটি দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে বেলা ১টা ২৫ মিনিটে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি হলো— ঐতিহ্যবাহী আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে দুজন স্টেশনমাস্টারসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, আধুনিক প্ল্যাটফর্ম, বিশ্রামাগারসহ মানসম্মত স্টেশন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন; এবং ঢাকা থেকে খুলনা ও খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির আপ-ডাউন যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা।
অবরোধকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও পর্যাপ্ত ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় এ এলাকার সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্টেশনটি আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন এবং চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও দূরপাল্লায় মালামাল পরিবহনে এ স্টেশন ব্যবহার করেন।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার মিজানুর রহমান জানান, আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন চালুর দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায় তিন ঘণ্টা রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে আন্দোলন করেন। এতে খুলনার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের রেলযোগাযোগ ব্যাহত হয়।
সময়ের আলো/আতা