প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম । ছবি : সংগৃহীত‘চাঁদাবাজি ও লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন, দেশ পরিচালনায় তার কোনো পরিকল্পনা নেই’- প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাবিবুর রহমান এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ এবং নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ অক্টোবর চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত বক্তব্যে তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের অভিযোগ সংবলিত মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। বক্তব্যটি আইনজীবীর দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তিনি বিব্রত, ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে নোটিশে উল্লেখ করেন।
তারেক রহমানের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করে নোটিশে আরও বলা হয়, তারেক রহমানের বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত। তাদের ছেলে তারেক রহমান চাঁদাবাজি ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে এসেছেন- এমন বক্তব্য জাতি বিশ্বাস করে না।
এতে আরও বলা হয়, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সম্পর্কে এ ধরনের ঢালাও মন্তব্য করা দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ নয়। এমন বক্তব্যের মাধ্যমে একজন সম্মানিত ব্যক্তির চরিত্র হননের চেষ্টা করা হয়েছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়।
নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পদমর্যাদার প্রসঙ্গ তুলে নোটিশে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে জাতি এমন অগ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে না। এ ধরনের মন্তব্যের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, গণমাধ্যমে বারবার এ বক্তব্য প্রচারের মাধ্যমে তারেক রহমানের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তাই, নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সময়ের আলো/এসকে