হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৮ সাউন্ড গ্রেনেড ও ১ রাউন্ড টিয়ারশেল টিয়ার নিক্ষেপ করে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের নিতাইচর ও রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এসময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ নভেম্বর রাতে নিতাইচর গ্রামের বাসিন্দা আশিক মিয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জয়রামপুর গ্রামের জালালকে সন্দেহ করেন আশিক মিয়া। বিষয়টি নিয়ে পরদিন ৫ নভেম্বর স্থানীয় বাজারে আশিক ও জালালের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এনিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
এরই জের ধরে আজ শুক্রবার সকালে উভয় গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন। সংঘর্ষের কারণে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১ রাউন্ড টিয়ারশেল ও ৮টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে আহতদের মধ্যে কারও অবস্থা গুরুতর কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সময়ের আলো/এনএন