প্রকাশ: বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:১৫ পিএম (ভিজিট : ২৬৪)
ষ ষ সংসদ প্রতিবেদক
রমনা পার্কের ভেতরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে নকশাবহির্ভূত স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ওই কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির বৈঠকে নকশাবহির্ভূত স্থাপনা অপসারণের সুপারিশ ও মূল নকশা অনুযায়ী দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি সদস্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বজলুল হক হারুন, মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, আনোয়ারুল আশরাফ খানসহ সংশিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমিটি সূত্র জানায়, ‘ঢাকাস্থ রমনা পার্কের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রমনা লেকসহ সার্বিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ গত বছরের নভেম্বরে শুরু হয়। ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু সেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মনে করছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির বৈঠকে কাজের অগ্রগতি নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে নকশাবহির্ভূত স্থাপনা নির্মাণের তথ্য তুলে ধরেন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। পরিকল্পনা কমিশন অনুমোদনের পর সেই নকশা পরিবর্তনের সুযোগ অধিদফতরের আছে কি না, তা জানতে চান কমিটি সদস্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।
বৈঠকে গণপূর্ত অধিদফতর, রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, নগর উন্নয়ন অধিদফতর, স্থাপত্য অধিদফতর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চলমান প্রকল্পগুলোর সার্বিক কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে রাজধানীর মিরপুরে বস্তিবাসীদের জন্য ভাড়াভিত্তিক প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন ও নতুন প্রকল্প গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তান্তরের তাগিদ দেওয়া হয়।