সঙ্গী কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শোয়ার অভ্যাস যাদের, তাদের অনেকের নাক ডাকার যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতি ১০০ জন প্রাপ্ত বয়স্কের মধ্যে ৩০ জনের নাক ডাকার সমস্যা আছে। ষাট বছরের বেশি মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি। ঘরোয়া উপায়েই এই সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়ার সম্ভব।
ল্যাভেন্ডার তেল : ২০১৪ সালে প্রকাশিত জার্নাল অব অল্টারনেটিভ অ্যান্ড কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিন নামে প্রকাশিত এক জার্নালে বলা হয়েছে ল্যাভেন্ডার তেলের গন্ধ মনকে শান্ত করে। নিশ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রেও এটি বেশ উপকারী। এতে ঘুম ভালো হয়। আবার নাক ডাকাও কমে।
লেমন তেল : লেবুর গন্ধ এমনিতেই শরীর চাঙ্গা করে তোলে। কারও বমি বমি ভাব থাকলেও লেবু শুকতে দেওয়া হয়। গার্গল করার জলে লেবুর তেল ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
লবঙ্গ তেল : সর্দি বা কাশি হলে লবঙ্গ পথ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। সাইনাসের ক্ষেত্রে এটি খুব উপকারী। নিশ্বাস-প্রশ্বাসের পথ প্রশস্ত করে।
গোলমরিচের তেল : ভেষজ বিদ্যায় গোলমরিচের বিবিধ উপকারের কথা বলা হয়েছে। জ্বর, সর্দি, কাশির ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়েই থাকে। নাকের বাধা খুলতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
মৌরির তেল : মৌরি এমনিতে হজম শক্তি বাড়ায়। এ ছাড়াও নাক ও গলা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। যাতে নিশ্বাস-প্রশ্বাসে কোনো বাধা তৈরি না হয়।
/জেডও/