সবুজের আবহ পেতে অনেকেই ঘরের বারান্দায় গাছ লাগিয়ে থাকেন। এ ছাড়া কিছু গাছ আছে যা আপনার ঘরে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করে। জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি গাছ সম্পর্কে-
তুলসী
এর গুণাগুণ সম্পর্কে বাড়তি বলার কিছু নেই। ঘরের ভেতর তুলসী গাছ রাখলে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করবে। শুধু তাই নয়, কার্বন-মনো-অক্সাইড, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও সালফার-ডাই-অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাসগুলোকে শোষণ করে ঘরের বাতাসকে পরিশুদ্ধ করে তুলসী।
নিম
নিমের গুণাগুণ অপরিসীম। এটিও বাতাস শুদ্ধ করতে সাহায্য করে। নিম গাছ সাধারণত বাড়ির বাইরে থাকে। কিন্তু ভেতরেও নিম গাছ লাগানো যেতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির মাঝখানে নিম গাছ রাখলে ফল মেলে ভালো। বাতাস শুদ্ধ করা ছাড়া পোকামাকড় দূর করতেও সাহায্য করে নিম গাছ।
অ্যালোভেরা
যেসব গাছ থেকে মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়, অ্যালোভেরা তার মধ্যে শীর্ষে। বাতাস সুস্থ রাখতে নাসার ভেতরে পর্যন্ত রাখা রয়েছে এই গাছ। এর কোনো পরিচর্যা দরকার হয় না। বরং এই গাছ থেকে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন তৈরি করা এবং পরিবেশে তা ছড়িয়ে দেওয়া।
স্নেক প্লান্ট
অ্যালোভেরার মতোই গুণাগুণ রয়েছে স্নেক প্লান্ট গাছের। এটিও অক্সিজেন ছাড়ে আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। তাই ঘরের মধ্যে এই গাছ লাগালে উপকার পাওয়া যাবে। তা ছাড়া এই গাছ দেখতেও বেশ সুন্দর। ঘরের শোভা বাড়াতেও স্নেক প্লান্ট গাছের জুড়ি নেই।
অর্কিড
এর সৌন্দর্যের তুলনা নেই। বেডরুমে বিছানার পাশে অর্কিড রাখলে ঘরের সৌন্দর্যই পাল্টে যায়। সাধারণত গাছ যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অক্সিজেন তৈরি করে, তাতে সূর্যালোক প্রয়োজন হয়। তাই রাতে সেই প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। অর্কিডও রাতে অক্সিজেন ত্যাগ করে। ফলে ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে অর্কিড। রাতেও আপনার ঘর থাকে অক্সিজেনে পরিপূর্ণ।
আরএস/