অনেকের মধ্যেই ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। এ কারণে অনেকেই উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন। কীভাবে কমানো যায় কোলেস্টেরল-এই নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। চাইলে ঘরোয়া উপায়েও কোলেস্টেরল কমানো যায়।
ফল-শাকসবজি
এগুলোতে উচ্চমাত্রায় আঁশ থাকে। কিছু আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। বিভিন্ন রকমের ডাল, মিষ্টি আলু, ঢ্যাঁড়স, ব্রোকলি, আপেল, স্ট্রবেরি এগুলো আঁশসমৃদ্ধ খাবার।
রসুন
সকালে ঘুম থেকে উঠে বা রাতে ঘুমানোর আগে কাঁচা রসুন খান। রসুনে অ্যালিসন নামক উপাদান রয়েছে, যা কোলেস্টেরল কমাতে খুবই কার্যকরী।
গ্রিন টি
গ্রিন টি’র মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা কোলেস্টেরল কমাতে খুবই কার্যকর। এমনকি গ্রিন টি খেলে শরীরের ওজন কমে যায়। মানুষ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, বিপাকক্রিয়া বাড়াতে এবং কোলেস্টেরল কমাতে গ্রিন টি’র জুড়ি নেই।
হলুদের দুধ
হলুদ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি তাদের জন্য এটির গুরুত্ব আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ হলুদে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
তেঁতুলের বীজ
তেঁতুলের বীজে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং লিনোলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়, যা সরাসরি কোলেস্টেরলকে আক্রমণ করে। অতএব, কোলেস্টেরল কমাতে হলে অবশ্যই তেঁতুলের বীজ খেতে হবে।
আমলকী
আমলকী অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিডসমৃদ্ধ, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাজা আমলকী অথবা এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল চামচ শুকনো আমলকীর গুঁড়া মিশিয়ে পানীয় তৈরি করে প্রতিদিন পান করুন।
মাছের তেল
ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস মাছের তেল। নিয়মিত ম্যাকারেল, স্যামন, লাক ট্রোট, সার্ডিন এবং হালিবুট খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। যদি নিরামিষভোজী হয়ে থাকেন তাহলে প্রতিদিন ১০০ মিলিগ্রাম মাছের তেলের ট্যাবলেট খান।
/ডিএফ