বিশ্বব্যাংকসহ দেশি-বিদেশি অন্তত পাঁচটি প্রতিষ্ঠান আসছে ২০২৪ সালে বন্দরে। তারা ৭-৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এসব বিনিয়োগের আওতায় বে টার্মিনাল নির্মাণসহ বন্দর কর্তৃপক্ষের মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন পথে প্রায় শেষ পর্যায়। ইতিমধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭ মিলিয়ন কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। আর এর প্রভাবে শক্তিশালী হবে দেশের অর্থনীতি। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল এসব তথ্য জানান।
তিনি আরও জানিয়েছেন, বে টার্মিনালকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে অনেক দেশের। শুধু তাই নয়, বিদেশি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ দেখা দিয়েছে। তারা বে টার্মিনালে বিনিয়োগ করতে চায়। তিনি আরও জানান, আবুধাবি পোট গ্রুপ থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এখানে বিনিয়োগ করার জন্য বিশ্বব্যাংক আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আগামী ২০২৪ সালের জুন-জুলাইয়ের মধ্যে বে টার্মিনাল কাজ শুরু হবে। পিএসএ সিঙ্গাপুর, ডিপি ওয়ার্ল্ড, আবুধাবি পোট গ্রুপ, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিশ্বব্যাংক মিলে প্রায় সাড়ে ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার আগামী বছর বিনিয়োগ করবে।
চট্টগ্রাম বন্দর বছর শেষ হওয়ার আগেই ৩ মিলিয়ন কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্লাবে প্রবেশ করেছে। গত ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর ৩০ লাখ ৪ হাজার ৫০৫ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। আর একই সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ১ কোটি ৮৩ লাখ ৪৫ হাজার ৫৭৬ টন কার্গো হ্যান্ডলিং করেছে। যা বছর শেষের দিন পর্যন্ত ১২ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস। তারা একটি টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবটি পিপিপির আওতায় রাখা হয়েছে। ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর স্মার্ট বন্দর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর দেশের জিডিপিতে ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যোগ করবে। বে টার্মিনাল তারচেয়েও বেশি যোগ করবে। সবকিছু মিলিয়ে ৪-৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি যোগ করবে।