চা এখন প্রতিদিনের সঙ্গী। ঘর থেকে একেবারে বাইরে চায়ের কদর বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং দিন দিন বাড়ছে। আবার কোনো কোনো ঋতুতে চায়ের কদর উঠে যায় একেবারে উচ্চ পর্যায়ে। বিশেষ করে এই শীতকালে চায়ের আদর সবার কাছে।
এই চায়ের উৎপাদন এবার আশাব্যঞ্জক। অনুকূল পরিবেশ ও পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি চায়ের জন্য নিয়ে এসেছে আশীর্বাদ। চলতি বছরের দশ মাসে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার চা উৎপাদন হয়েছে ৮৩ লাখ ৭২ হাজার কেজি। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে। এসব বাগান থেকে গত ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চায়ের উৎপাদন ছিল ৭ কোটি ৫২ লাখ ১১ হাজার কেজি। চলতি বছরে একই সময়ে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার কেজি। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৯৩ হাজার কেজি। চলতি বছরে ১০ কোটি ২০ লাখ উৎপাদন হতে পারে আশা করা হচ্ছে।
চা বোর্ডের সূত্র অনুযায়ী, ২০২১ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার কেজি। কিন্তু সে সময় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে। অর্থাৎ উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি। তবে পরের বছর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। সে বছর ৯ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ কেজি চা উৎপাদন হয়েছিল। চলতি বছরে যে পরিমাণ চা উৎপাদন হতে যাচ্ছে তা দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানির সুযোগ বাড়বে। দেশে বর্তমানে চা বিক্রির জন্য তিনটি নিলাম বাজার রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চট্টগ্রামের শতবর্ষী আন্তর্জাতিক চা নিলাম। এরপরেই রয়েছে শ্রীমঙ্গল ও পঞ্চগড়।