ড. ইউনূসের সব স্মৃতি মুছতে চেয়েছিল তারা

এসএম আলমগীর

অর্থনীতি

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক। যে প্রতিষ্ঠান তাকে এনে দিয়েছিল নোবেল পুরস্কার।

2024-08-08T00:03:11+00:00
2024-08-08T01:31:16+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থনীতি
ড. ইউনূসের সব স্মৃতি মুছতে চেয়েছিল তারা
গ্রামীণ ব্যাংকে উৎসবের আমেজ
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪, ১২:০৩ এএম  আপডেট: ০৮.০৮.২০২৪ ১:৩১ এএম
ড. ইউনূসের সব স্মৃতি মুছতে চেয়েছিল তারা
শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক। যে প্রতিষ্ঠান তাকে এনে দিয়েছিল নোবেল পুরস্কার। সেই প্রতিষ্ঠানই হয়ে গিয়েছিল বেদখল। বিদায় নেওয়া শেখ হাসিনার সরকার সেখানে বসিয়েছিল একজন চেয়ারম্যানসহ ১৫ জনের একটি বিশেষ টিম। তারা একদিকে ব্যাংকের সবকিছুই যেমন নিয়ন্ত্রণ করত, তেমনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সব স্মৃতি। তিনি যে কক্ষে বসতেন, যে চেয়ারে বসে ব্যাংক পরিচালনা করতেন সেই কক্ষ এবং চেয়ারও দখল করতে চেয়েছিল ওই সিন্ডিকেট। এমনটিই জানালেন দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি করা বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ। 

বুধবার ( ৭ আগস্ট)  সময়ের আলোর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনা সরকারের জোর করে চাপিয়ে দেওয়া ওই সিন্ডিকেট গ্রামীণ ব্যাংকে খুলেছিল একটি টর্চার সেল। ব্যাংকটির এমডি থেকে শুরু করে যে কর্মকর্তা বা কর্মচারীই তাদের কথামতো চলত না বা তাদের চাহিদামাফিক নথিপত্র দিত না তাদেরই নেওয়া হতো ওই টর্চার সেলে। শাস্তিস্বরূপ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওই কক্ষে আটকিয়ে রাখা হতো তাদের। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো অজানা-অচেনা লোকদের হাতে তারা তুলে দিয়েছে প্রফেসর ইউনূসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজ ও ব্যাংকের নানারকম নথিপত্র। এভাবে গত কয়েক বছর সরকারের বসানো লোকেরা কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা করেছে তার চিত্র সময়ের আলোর কাছে তুলে ধরেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ।

তিনি বলেন, এখন আমরা গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতাকে বরণের অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। তার আগমন উপলক্ষে এবং দেশের গুরুদায়িত্ব পাওয়া উপলক্ষে পুরো গ্রামীণ ব্যাংকে এখন উৎসবের আমেজ। প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে একেবারে মাঠ পর্যায়ে সাজ সাজ রব।

সরেজমিন বুধবার গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে তার প্রমাণও মেলে। একেবারে প্রধান ফটক থেকে শুরু করে ভেতরের রাস্তা ধোয়া-মোছা করা হচ্ছে। এখানে কর্মরত প্রত্যেক কর্মীর মাঝে উৎফুল্লভাব দেখা গেছে।

২০০৬ সালে যখন তিনি শান্তিতে নোবেল জিতে গ্রামীণ ব্যাংকে এসেছিলেন, তখন যে রকম উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছিল, ঠিক তার মতোই উৎসবের আমেজ এখন গ্রামীণ ব্যাংকে।

প্রফেসর ইউনূসকে বরণের প্রস্তুতি: ব্যাংকের এমডি নূর মোহাম্মদ বলেন, আমাদের মধ্যে এখন ডাবল ঈদের আনন্দ। এক আনন্দ ছিল গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক দখলদারমুক্ত হওয়া। আরেক আনন্দ আমাদের সবার প্রিয় ব্যক্তিত্ব গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া ও তার দেশে ফিরে আসা। তিনি আসবেন, তাই আমরা আনন্দে উদ্বেলিত। 

 ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ড. ইউনূসের সব স্মৃতি মুছতে চেয়েছিল তারা

ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এ জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে একেবারে মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি কার্যালয়ের প্রত্যেক কর্মী মহাখুশি। বৃহস্পতিবার (আজ) দেশে এলে গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমরা বিমানবন্দরে গিয়ে ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেব। আমাদের চাওয়া যে প্রতিষ্ঠান নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছিল, যে প্রতিষ্ঠান প্রফেসর ড. ইউনূসের হাতে গড়া ও তার কাছে সন্তানের মতো সেই গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি আগে আসবেন, এখানে আগে পদধূলি দিয়ে তারপর হয়তো শপথ নিতে যাবেন। তবে কালকে হয়তো অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও হয়তো যাবেন তারাও হয়তো অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করবেন দেখা যাক কী পরিস্থিতি হয়। তবে আমরা আশা করছি দেশে আসার পর প্রথমেই হোক বা শপথ নেওয়ার পরে হোক তিনি বৃহস্পতিবারই এখানে একবারের জন্য আসুক এটি আমরা প্রত্যাশা করছি।

সব স্মৃতি তারা মুছে ফেলতে চেয়েছিল: এমডি নূর মোহাম্মদ বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের বসানো ওই সিন্ডিকেট গ্রামীণ ব্যাংক থেকে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সব স্মৃতি মুছে দিতে চেয়েছিল। প্রধান কার্যালয়ের চতুর্থ ফ্লোরে যে কক্ষে, যে চেয়ারে তিনি বসতেন শুরু থেকে সেই রুমটি ও চেয়ার তারা দখলে নিতে চেয়েছিল। তবে আমি সে রুমটি সবসময়ের জন্য তালাবদ্ধ করে রেখেছিলাম। অনেক চাপ দেওয়ার পরও আমি ওই রুমের তালার চাবি তাদের দিইনি। আমি তাদের স্পষ্ট বলে দিয়েছিলাম, আপনারা আর যাই করেন, স্যারের রুমে আমি কাউকে যেতে দেব না, তার চেয়ারে কাউকে বসতে দেব না। তারা ইউনূস সেন্টারও দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেটিও তারা পারেনি। অনেক নির্যাতন সহ্য করার পর দখলদাররা বিদায় নিয়েছে, আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠাতা ফিরে আসছেন দেশের গুরুদায়িত্ব নিয়ে তাই আমরা এখন খুবই উৎফুল্ল।

শেখ হাসিনার পতনের দিনই রাহুমুক্ত হয় ব্যাংক: গত ৫ আগস্ট, যেদিন শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে যারা গ্রামীণ ব্যাংক গ্রাস করেছিল, জবরদখল করেছিল তারা পালিয়েছে ব্যাংক থেকে। ব্যাংকে মধ্য পর্যায়ে তাদের দোসর কিছু কর্মকর্তা ছিল তাদেরও প্রধান কার্যালয় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল মজিদ কাগজে-কলমে এখনও এ পদে থাকলেও ওই দিনের পর থেকে তিনিও আর আসছেন না ব্যাংকে।

সরকারের লোক বসানো হয়েছিল ১৫-১৬ জন: ব্যাংকটির এমডি নূর মোহাম্মদ সময়ের আলোকে বলেন, এই চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রামীণ ব্যাংকে বিদায়ি শেখ হাসিনার সরকার বেশ কয়েকজনের একটি টিমকে চাপিয়ে দিয়েছিল। তার সঙ্গে ১৫-১৬ জনের মতো লোককে গ্রামীণ ব্যাংকে জোর করে বসানো হয়েছিল। এদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন লোকও ছিলেন। ব্যাংকে রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট নামে একটি বিভাগ খুলে তাদের এখানে বসানো হয় এবং কারও সাড়ে ৪ লাখ, কারও ৩ লাখ, কারও দেড় লাখ বেতন ধরা হয়েছিল। এদের মধ্যে শেখ হাসিনার একসময়ের সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অব.) নকিব আহমেদ চৌধুরী নিতেন সাড়ে চার লাখ টাকা। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিককেও এখানে বসানো হয়েছিল। তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল মূলত প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে লবিংয়ের জন্য। 
গ্রামীণ ব্যাংকেiর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ

গ্রামীণ ব্যাংকেiর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ


এছাড়া বর্তমান চেয়ারম্যান যে ক্যাডেট কলেজে পড়েছেন সে ক্যাডেট কলেজেরই সাবেক ছাত্র ও আওয়ামী লীগ নেতা এক ব্যারিস্টারকে তিনি নিয়োগ দিয়েছিলেন মাসিক ১২ লাখ টাকা বেতনে। আর তাদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন তিনি।

খোলা হয়েছিল টর্চার সেল: বর্তমান চেয়ারম্যান গ্রামীণ ব্যাংকে একটি টর্চার সেল খুলেছিলেন। সরকারের চাপিয়ে দেওয়া লোকদের নিয়ে তিনি এখানকার পুরোনো কর্মীদের মানসিক নির্যাতন করতেন। এর বাইরেও মাঝেমধ্যেই অজানা-অচেনা অনেক লোকও আসা-যাওয়া করেছে ব্যাংকে। তারা ব্যাংক থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে যেত। ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান তাদের নিয়ে গোপন বৈঠক করতেন, অথচ ব্যাংকের এমডি হিসেবেও আমাকে সে বৈঠকে রাখা হতো না। এককথায় ওই সিন্ডিকেটকে নিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যাংক চালিয়েছেন তিনি। আমরা যারা দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছর ধরে এই ব্যাংকে কাজ করি, যারা প্রফেসর ইউনূসের দীর্ঘদিনের সঙ্গী তাদের একেবারে কোণঠাসা করে রেখেছিলেন তিনি। গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে তারা যে টর্চার সেল খুলেছিল, কেউ যদি তাদের কথা না শুনত বা কোনো নথি চাইলে না দেওয়া হতো তা হলে তাকে ওই টর্চার সেলে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। এমনকি ব্যাংকের এমডি হয়েও তারা আমাকেও সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখত। আসলে তারা অনেকটা ইংরেজদের মতো দ্বৈত-শাসন নীতির মতো করে ব্যাংক পরিচালনা করত। এভাবে তাদের নির্যাতন সহ্য করে এতদিন আমরা চাকরি করেছি।

ব্যাপক ক্ষতি করেছে ওই সিন্ডিকেট: তিনি জানান এখনও কাগজে-কলমে থাকা গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল মজিদ ও তার গং গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপক ক্ষতি করে গেছে বলেও জানান ব্যাংকটির বর্তমান এমডি নূর মোহাম্মদ। তিনি জানান, সবচেয়ে বড় কথা প্রধান কার্যালয়ে তারা বড় রকমের বিভাজন তৈরি করেছিল। ব্যাংকিং বিধিবিধানে বলা আছে প্রতিষ্ঠানের প্রধান হচ্ছেন ব্যাংকের এমডি। অথচ আমাকে একেবারে অকার্যকর করে রেখেছিল। ব্যাংকের নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়ন থেকে শুরু করে সবকিছু তারাই নিয়ন্ত্রণ করত। যেখানে স্বাক্ষর নেওয়ার দরকার হতো আমাকে বলত স্বাক্ষর দিতে। কোনো উপায় না থাকায় আমাকেও সেটিই করতে হতো। আমরা যদি এ ধরনের কোনো কাজ দুয়েকটি করেছি তবে আমাদের নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। আমার সঙ্গেও খারাপ আচরণ করা হতো। তবে অনেক চাপ আসার পরও আমি বড় আকারে গ্রামীণ ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হতে দিইনি। আমি ৩৫ বছর গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি করছি আমাদের শ্রমে-ঘামে এই ব্যাংক আমরা ধরে রেখেছি, অথচ আমরাই ছিলাম এখনকার উচ্ছিষ্ট। তবে আমাদের ওপর অনেক ঝড়-ঝাপটা এলেও গ্রামীণ ব্যাংকের ফিল্ড পর্যায়ে আমরা তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে দিইনি।

লুটতে চেয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা

গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ সময়ের আলোকে জানান, সরকারের বসানো ওই সিন্ডিকেট কৌশলে ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল। 

তিনি বলেন, ব্যাংকের সিএসআর ফান্ডে ৫০০ কোটি টাকা রয়েছে। তারা আমাকে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাপ দিচ্ছিল-ওই ৫০০ কোটি টাকা দেবার জন্য। এটা তারা নিতে চেয়েছিল একটি হাসপাতাল করার নামে। তারা আমকে চাপ দিল-এখনকার একটি ভবনে ৬৫ সয্যার একটি হাসাপাতল করা হবে তার জন্য টাকাগুলো দিতে হবে। শুধু তাই নয়, এই টাকা দিয়ে তারা এখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বানাতে চাপ দিয়েছিল। মূল বভনের নীচতলায় যে ড. ইউনূস কর্ণার (নোবেল গ্যালারি ) রয়েছে-সেটি ভেঙে সেখানে তারা বঙ্গবন্ধু কর্ণার করতে চেয়েছিল। আমি তাদের বলেছিলাম ইউনূস কর্ণার সরিয়ে সেখানে আমি বঙ্গবন্ধু কর্ণার করতে দিব না, দরকার হলে অন্য কোনো জায়গায় করা হোক আমি ব্যবস্থা করবো। কিন্তু তারা সেটি না মেনে ওখানেই বঙ্গবন্ধ কর্ণার করতে চেয়েছিল। তবে আমার শক্ত অবস্থানের কারণে সেটি তারা করতে পারেনি। এভাবে তারা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সব স্মৃতি মুছে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু আমরা সেটি হতে দিইনি।

সময়ের আলো/এম 

Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: