ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় বাসের ধাক্কায় তিনটি গাড়ির ছয়জন নিহতের ঘটনায় করা মামলায় বেপারী পরিবহনের মালিক ডাব্লিউকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া চালক নুরুদ্দিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালতে আসামিদের হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুন্সিগঞ্জের হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার এসআই আব্দুর রহমান আসামি ডাব্লিউকে কারাগারে আটক এবং নুরুদ্দিনের স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলাম আসামি ডাব্লিউকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই আদালত আসামি নুরুদ্দিনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।
এরআগে, গত ২৭ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে নুরুদ্দিনকে এবং শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুরের শিবচর থেকে ডাব্লিউকে গ্রেফতার করে হাইওয়ে পুলিশ।
জানা যায়, গত ২৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি গাড়িতে ধাক্কা দেয় বেপারী পরিবহনের একটি বাস। এতে একই পরিবারের চার জনসহ দুটি গাড়ির ৬ আরোহী নিহত ও চারজন আহত হন। নিহতরা হলেন- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নন্দনকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার, তার বড় মেয়ে ইসরাত জাহান, ছোট মেয়ে রিহা মনি, ইসরাত জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন, মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়ার স্ত্রী রেশমা আক্তার ও তার ছেলে মো. আবদুল্লাহ। এ ঘটনায় আমেনা আক্তারের ভাই নুরুল আমিন শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন।
সময়ের আলো/আরআই