জেনারেল ওসমানীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের দায়িত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক) বলেছেন, মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া এবং ভবিষ্যৎ

2025-02-22T22:39:50+00:00
2025-02-22T22:39:50+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
জেনারেল ওসমানীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের দায়িত্ব
মুক্তিযুদ্ধ উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৩৯ পিএম 
জেনারেল ওসমানীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের দায়িত্ব
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক) বলেছেন, মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীকে যথাযথ সম্মান দেওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তার অবদান তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। 

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি)  রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।

ফারুক ই আজম বলেন, বঙ্গবীর জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী ছিলেন দেশের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তার দৃঢ়তা, কঠোর নিয়মানুবর্তিতা, গণতন্ত্রে অবিচলতা, নিপুণ সমর কুশীলতার মাধ্যমে তিনি ১৯৭১ এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সামরিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সব মুক্তিযোদ্ধার আস্থার প্রতীক যার রণকৌশল পরিকল্পনা বাংলাদেশের বিজয়ের পথকে সুগম করেছিল। প্রতিটি মানুষ একটি অভীষ্ট নিয়ে জন্মায়। ১৯৭১ এ যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পেরেছিলাম আমরা এ কারণে সৌভাগ্যবান যে, সেই সময়ে আমরা তরুণ ছিলাম, সৃষ্টিকর্তা আমাদের সাহসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে মানসিক সংকল্প ও সক্ষমতা দান করেছিল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষ আসে এবং মানুষ চলে যায়, কিন্তু দেশ ও জাতির ভাগ্য বদলে অংশ নেওয়ার সুযোগ সবার হয় না। আমাদের সে অবকাশ হয়েছিল।

উপদেষ্টা বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এ কারণেও যে ২০২৪ এর জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের সংকটাপূর্ণ সন্ধিক্ষণে আমি আবার একটি সুযোগ পেয়েছি। তাই আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে ১৯৭১ এর একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি আমার কমান্ডার ইন চিফ সম্পর্কে কিছু বলার সুযোগ পেয়েছি। জেনারেল ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী সর্বাধিনায়ক যার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফারুক ই আজম বলেন, সম্মান ও গৌরবের অধিকারী এ রকম ক্ষণজন্মা দেশপ্রেমিক মানুষকে আমরা যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করতে পেরেছি কি না এ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা ও প্রচলিত যুদ্ধের সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অগ্রনায়ক এবং বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধান ও প্রথম জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, তার জীবনচরিত ও কর্ম সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তথ্য পৌঁছানো এবং তার অবদান সঠিকভাবে তুলে ধরাও অবশ্য কর্তব্য। জেনারেল ওসমানীর নিবেদিত জীবন সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীরা তার মহত্ত্ব ও সংগ্রাম সম্পর্কে জেনে তাকে একটি আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করতে পারে।
ওসমানী স্মৃতি পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) এম আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন মধ্যে সাবেক সচিব মোফাজ্জল করিম, সাবেক উপদেষ্টা ইফতেখার আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসহাব উদ্দিন, সাবেক সচিব এহছানে এলাহী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার হোসেন চৌধুরী প্রমুখ। 



Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: