জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার দ্রুত না হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নিহত-আহতদের পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান ফটকের সামনে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন থেকে তারা এই হুঁশিয়ারি দেন। একইসঙ্গে তারা চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের পদত্যাগেরও দাবি করেছেন।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এখানে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) বিচারের নামে প্রহসন হচ্ছে। টাকার বিনিময়ে চিফ প্রসিকিউটর বিক্রি হয়ে গেছেন। গণহত্যার বিচার দ্রুত না হলে এই ট্রাইব্যুনাল (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
এ সময় তারা ‘আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধে দাবি’, ‘ছাত্রলীগ-সহ সব অপরাধীর বিচার চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এছাড়া তারা আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, অভিযোগ গঠন ও বিচার ত্বরান্বিত করে আসামিদের ফাঁসির দাবি তোলেন।
প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৫ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
এরপর গত ১৮ নভেম্বর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের গ্রেফতারের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন ও তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য এক মাস সময় দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।