১৪৩২ বাংলা নববর্ষের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’।
এছাড়া এবার ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’য় ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, ইলিশ মাছ, বাঘ, ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তরমুজের মোটিফসহ ছোটবড় নানা মোটিফ থাকবে।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওসমান জামাল মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার উপ-কমিটির সদস্যসচিব ও চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান জানান, এবারের শোভাযাত্রায় প্রতিকৃতির মধ্যে থাকবে ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, কাঠের বাঘ, রঙিন চরকি, বাঘের মাথা, ইলিশ মাছ, তালপাতার সেপাই, ৩৬ জুলাই টাইপোগ্রাফি, তুহিন পাখি, মাছের চাই, শান্তির পায়রা, পাখা, পালকি, ঘোড়া, লাঙল, মাছের ভোলা, মুগ্ধর পানির বোতল ও লোকজ চিত্রাবলীর ক্যানভাস।
তিনি বলেন, তরমুজ ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘‘প্রতিরোধ ও অধ্যবসায়ের প্রতীক’’। এবারের শোভাযাত্রায় আমরা অন্যান্য মোটিফের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মুসলমানদের লড়াই ও সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তাদের প্রতীক হিসেবে তরমুজের মোটিফ সামনে আনছি।
এছাড়া শোভাযাত্রায় থাকবে ঐতিহ্যবাহী পিস্টন বাঁশি, বাংলা ঢোল ও করনেট বাঁশি সহযোগে ত্রিশজন শিল্পীর সম্মিলিত বিন্যাসে দেশাত্মবোধক গান; চারুকলার অভ্যন্তরে নাগর দোলা, চরকী, পুতুল নাচ, বায়োস্কোপ, বৈশাখী খাবারের দোকান। শোভাযাত্রার মুকুট থাকছে ৫০০০টি। শোভাযাত্রার ব্যানার হবে একটি।
এছাড়াও পহেলা বৈশাখের পরেরদিন ২ বৈশাখ চারুকলার বকুলতলায় রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে যাত্রাপালা।