নারী ও শিশুর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ

সম্পাদকীয়

জলবায়ু পরিবর্তনকে যেখানে একসময় শুধু পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো কিন্তু আজ বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তা এক ভয়াবহ

2025-04-25T02:04:37+00:00
2025-04-25T02:04:37+00:00
 
  শনিবার, ৬ জুন ২০২৬,
২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়
নারী ও শিশুর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০৪ এএম   (ভিজিট : ১১১৪)
ছবি: সময়ের আলো
জলবায়ু পরিবর্তনকে যেখানে একসময় শুধু পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো কিন্তু আজ বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তা এক ভয়াবহ মানবিক সংকটে আবির্ভূত হয়েছে। এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। দেশের বিরাট অংশের নারী ও শিশু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের নির্মম শিকার। রূপ-লাবণ্যে ভরা আমাদের দেশ এই বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন অংশে বিগত কয়েক বছরে বন্যার কবলে পড়ে সমাজের দুর্বল, হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশেষ করে মা ও নবজাতক শিশুরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে। বাধাগ্রস্ত হয়েছে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ। বৈচিত্র্যময় এ দেশে প্রাকৃতিক পরিবেশের আমূল পরিবর্তন খরায় মাঠ-ঘাট, ক্ষেতের ফসল পুড়িয়ে দেয়। শুকিয়ে যায় হাওড়, বিল, খাল। চৈত্র মাস থেকেই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। আষাঢ়, শ্রাবণে ঘোর বর্ষাকালে বৃষ্টির দেখা মেলে না। কখনো বা অতিরিক্ত জোয়ার এবং জলোচ্ছ্বাসের লবণাক্ত পানি ভূখণ্ডে ঢুকে কমিয়ে দেয় ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা। ঋতুচক্রের অস্বাভাবিক পরিবর্তনে বিনষ্ট হয়ে যায় শ্যামল বৃক্ষরাজি, পশুপাখি। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আগামীর বাংলাদেশে ব্যাপক অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, অসময়ে প্রবল বন্যা, মরুময়তা, ঘূর্ণিঝড়, নিম্নচাপ, খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্র্যোগের সম্ভাবনা ইতিমধ্যে লক্ষ করা গেছে। ভৌগোলিক অবস্থান, ঘন জনবসতি, জীবিকার জন্য প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীলতা এবং দারিদ্র্যসহ নানা কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্বের বিচারে দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা! আবার পূর্বাঞ্চলের হাওড়-বাঁওড়, উত্তরাঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকা বিশ্বের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের পরিণতিতে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে দ্রুত সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং প্রতিনিয়ত বরফ গলছে। মেরু অঞ্চলের বরফের আচ্ছাদন বিলীন হওয়ার কারণে কার্বণ নিঃসরণের মাত্রাও বেড়ে চলছে। বিভিন্ন জীবজন্তুর আবাসস্থল বদলাচ্ছে। যদি বিশ্বের তাপমাত্রা ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায় তবে বরফ দ্রুত গলার ফলে প্রাণিজগতের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মানুষের নানা কর্মকাণ্ডে পরিবেশে যে বাড়তি তাপ তৈরি হচ্ছে তার ৯০ শতাংশই শুষে নেয় সাগর। আইপিসির শেষ রিপোর্টে জানা যায়, সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা ১.১ মিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে যা আগের ধারণার চেয়ে ১০ সেন্টিমিটার অধিক। আর তা হলে মারাত্মক পরিবেশ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বিশ্বের এক ডজনের বেশি বড় বড় শহর। পরিবেশবাদীদের আশঙ্কা, সাগরের উচ্চতা বাড়লে নিচু উপকূলীয় এলাকার ৭০ কোটি মানুষ বিপদে পড়বে। সাগরের তাপমাত্রা বাড়লে আবহাওয়াও দিন দিন বিরূপ আচরণ শুরু করবে। জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়ও বেড়ে যাবে। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের বেশ কিছু জায়গায় বড় ধরনের জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও করছেন বিজ্ঞানীরা। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি নেই স্থলভাগের খুব ভেতরের বসবাসরত মানুষগুলোর।

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি নিশ্চিতকরণের জন্য জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা, কার্বন নিঃসরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কমানোর কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ বন্ধে এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে অর্থ বরাদ্দে আজও তেমন সাফল্য অর্জিত হয়নি। আইনি কাঠামো বাস্তবায়নে তেমন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্যে আসেনি অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলো। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লক্ষ্য নির্ধারণে ধনী দেশগুলো ২০২০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শতকরা ৪০ ভাগ কমিয়ে আনার কথা ছিল। চুক্তিতে আইনি বাধ্যবাধকতার মধ্যে এনে কোপেনহেগেন ‘গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড’ গঠনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব উদ্যোগ উষ্ণায়ন রোধে তেমন কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। সেই চুক্তির ফলে কার্বন নির্গমন ২০৫০ সালের মধ্যে কার্যত শূন্যে নামিয়ে বিভিন্ন দেশকে এই মুহূর্তে কার্বন নির্গমন ব্যাপক হারে কমানো জরুরি হয়ে পড়েছে। কার্বন নিঃসরণ কার্যকরভাবে বন্ধ বা হ্রাস করা সম্ভব না হলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বর্তমান শতাব্দীতে তীব্রতর হতে থাকবে। ভবিষ্যতে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যেসব অঞ্চলে পর্যাপ্ত ক্ষতি হয়েছে সেখানে অভিযোজন ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকা মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা মানুগুলোকে বাঁচাতে না পারলে বিশ্ব সভ্যতাই হুমকির মুখে পড়বে।

একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত ৬-৭ বছরে বাংলাদেশের প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ গৃহহারা হয়েছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের সম্মুখীন হন বাংলাদেশের নারীরা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের ৮০ শতাংশই নারী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী শিশুদের নানাবিধ রোগের ৮৮ শতাংশই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দায়ী। সাম্প্রতিক সময়ের দেশের অস্বাভাবিক বন্যার ফলে বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। নারী, শিশু হারিয়েছে তাদের আবাসস্থল। থেমে গেছে শিশুদের শিক্ষা, উন্নত জীবনের সম্ভাবনা। জলবায়ুজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে অচল হয়ে পড়েছে নারীদের প্রসূতিসেবা, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি। বন্যায় আটকে পড়া আশ্রয়কেন্দ্রে পানিবন্দি শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে, চিকিৎসার অপ্রতুলতার কারণে হারিয়েছে প্রাণ।

জলবায়ু, খাদ্য উৎপাদন ও নারী একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ১৯ জেলাধীন ১৪৭ উপজেলায় ২০১১ সালের আদমশুমারির ৩ কোটি ৪৮ লাখ মানুষের মধ্যে ৪৯ শতাংশ নারী। নিমজ্জিত নিম্নাঞ্চলে লবণাক্ত পানি বৃদ্ধির কারণে সেখানে বসবাসরত জনগোষ্ঠী পরিবেশগত, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্যগতসহ জীবন-জীবিকাজনিত নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন। ফলে ঘটছে তাদের পেশার পরিবর্তন। কর্মসংস্থানের খোঁজে ত্যাগ করছে পুরান আবাসভূমি। বাড়ছে কর্মসংস্থানহীনতা, পরিবর্তন হচ্ছে তাদের জীবন ও জীবিকা এবং পেশার ধরন। জার্মান ওয়াচ গ্লোবালের জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (সিআরআই-২০২১) অনুযায়ী উপকূলীয় অঞ্চলের গ্রামীণ নারীরা জীবন-জীবিকা, পরিবার, সন্তান, গবাদিপশু, দৈনন্দিন খাদ্য, পানি, জ্বালানি ও পশু সংগ্রহ, বৃক্ষরোপণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে। তাদের জন্য অন্য পেশায় স্থানান্তরও সহজ নয়। ফলে তাদের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হয় বেশি। পেশা তাদের দীর্ঘ সময় ঠান্ডা লোনা পানিতে দাঁড়িয়ে কাজ করতে বাধ্য করে। ফলে তারা হৃদরোগসহ নানা শারীরিক সমস্যায় পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন। মায়ের শারীরিক অসুস্থতার প্রভাব শিশুসন্তানের ওপর অধিক গিয়ে পড়ে।

জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে দেশে এখনও সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গৃহীত হয়নি। সে কারণেই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মানুষের ফুসফুসের নানা ব্যাধি, শ্বাসকষ্ট, স্নায়ুবিক প্রতিবন্ধকতা, কম ওজনের শিশু জন্ম বৃদ্ধি আগামীতে উন্নত জাতি গঠনের প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অথচ জলবায়ুর রাতারাতি আমূল পরিবর্তনে মানবজীবনে এমন হুমকির কারণও অজানা নয়। দেশের পরিবেশ ভারসাম্য বিনষ্টের পেছনের কারণগুলো যেমনÑবৃক্ষনিধন, নদী দখল, দূষিত বায়ুপ্রবাহ, ইটভাটার কালো ধোঁয়া, যত্রতত্র রাসায়নিক বর্জ্যরে অপসারণ-কোনোটাই তেমন নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। আইনের কঠোর প্রয়োগে এর অধিকাংশই নিয়ন্ত্রণে খুব একটা কঠিন কাজ নয়।

আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) রোডম্যাপ চূড়ান্ত করে। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষে ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নারী ও শিশুর সামাজিক সুরক্ষাকরণ’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও আন্তর্জাতিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে বাংলাদেশ। জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা জাতীয় দলিল ২০২২ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ করতেও আশাবাদী ছিল বাংলাদেশ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা এবং খরার কারণে বাস্তচ্যুত জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য দায়বদ্ধতা বিশ্ববাসীকে ভাগ করে নিতে হবে। দেশের অবকাঠামোগত নির্মাণসহ পুরো উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারী ও শিশুর সুরক্ষা এবং অভিযোজন যোগ্যতাকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিতে হবে। পরিবেশগত শক্তি-সামর্থ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বায়োগ্যাস, সৌরশক্তি প্রযুক্তি ব্যবহার শহরে-বন্দরে, গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। গড়ে তুলতে হবে পরিবেশবান্ধব কলকারখানা। দেশের সর্বত্র স্বাস্থ্যসম্মত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সুপেয় পানির ব্যবহারের ব্যবস্থাসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করে তুলতে হবে।

নারী ও শিশুর জীবনকে বিপন্নের হাত থেকে রক্ষা করতে নদী দখল, বৃক্ষনিধন, অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট, কলকারখানা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। বায়ুদূষণ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে দরিদ্র নারীদের গর্ভাবস্থায় নানা রোগভোগ, জন্মগত ত্রুটি নিয়ে সন্তানের জন্মদান প্রতিরোধে নারীদের স্বাস্থ্যমান উন্নত করার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অসংখ্য দরিদ্র নারী ও শিশুর জীবন রক্ষা এবং আগামীতে সবার বাসযোগ্য একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ বিনির্মাণে প্রতিটি সচেতন জনগণ, পরিবার, সমাজ, সামাজিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে আগামী দিনে পরিবেশ সুরক্ষা এবং এর বিরূপ প্রভাব থেকে বিশ্বের মানুষকে রক্ষা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তা না হলে সমগ্র মানব জাতি বিশেষ করে নারী ও শিশুরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিশেষ ঝুঁকিতে পড়বে। এ থেকে তাদের রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এএডি/


Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: