প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপনে প্রতারণা এড়াতে গ্রাহকদের কোনো অসাধু ব্যক্তি বা চক্রের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার অনুরোধ জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেয়।
এতে বলা হয়, প্রাকৃতিক গ্যাসের সাশ্রয়ী ও দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইতিমধ্যে চার লাখ ২০ হাজার প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপন করা হয়েছে। গ্রাহক চাহিদা ও জনপ্রিয়তার পরিপ্রেক্ষিতে আরও ১১ লাখ স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
গ্রাহক পর্যায়ে প্রি-পেইড গ্যাস মিটারের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার, বিশ্বব্যাংক ও তিতাস গ্যাসের অর্থায়নে এক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে ঢাকা উত্তর, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের আওতাভুক্ত এলাকাগুলোতে।
তিতাস কর্তৃপক্ষ জানায়, মিটার স্থাপনের জন্য গ্রাহককে এককালীন কোনো অর্থ প্রদান করতে হবে না। শুধু ব্যবহারের সময় রিচার্জের মাধ্যমে প্রতি মাসে নির্ধারিত মিটার ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
তবে যদি অভ্যন্তরীণ গ্যাস লাইনে চাবি, ভালভ বা সরঞ্জাম পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে তা গ্রাহককেই সরবরাহ করতে হবে। কোনো ধরনের মেরামত, পরিবর্তন বা রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন হলে তা তিতাসের অনুমোদিত ঠিকাদারের মাধ্যমে করতে হবে এবং ব্যয় গ্রাহককেই বহন করতে হবে।
প্রকল্পের আওতায় ৩০ জুন পর্যন্ত নিয়োগ পাওয়া পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা গ্রাহকের বাড়ি পরিদর্শন করে নমুনা জরিপ চালাবেন। এ সময় তাদের পরিচয়পত্র যাচাই করে সহায়তা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিটার স্থাপন বা জরিপ কার্যক্রমের নামে কেউ আর্থিক লেনদেন দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে এবং কোনোভাবেই প্রতারকের ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।
এসটিও