তিতাস গ্যাস কর্তৃক গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার শনাক্তকরণ এবং উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মিল্টন রায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র সহকারী সচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র তিতাস গ্যাস টিঅ্যান্ডডি পিএলসি’র আওতাধীন মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অভিযানে টপটেন ওয়াশিং কারখানার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন ব্যাসের আনুমানিক ৯০ ফুট লাইন পাইপ অপসারণপূর্বক জব্দ করা হয়েছে এবং কারখানা মালিককে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান ও আদায় করা হয়েছে। এছাড়া, অবৈধ বিতরণ লাইনের আনুমানিক ৫০টি বাড়ির আনুমানিক ১৭০টি ডাবল বার্নার ও অনুমোদন অতিরিক্ত স্থাপনার ৩টি সংযোগের ৯ ডাবল বার্নার এবং গ্যাস সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে না পারায় একটিসহ মোট ১৮০টি ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
এ সময় বিভিন্ন ব্যাসের আনুমানিক ৩৩০ ফুট লাইন পাইপ ও ৪টি রেগুলেটর এবং ১০টি লক উইং ককের বডি অপসারণপূর্বক জব্দ করা হয়েছে।
একই দিনে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি-এর জোবিঅ -আড়াইহাজার আওতাধীন বড় বিনাইরচর (মাদ্রাসার বিপরীতে) এবং বড় বিনাইরচর, (উত্তর পাড়া) আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ এলাকায় একটি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে ৩টি স্পটের আনুমানিক ৩.৫ কিলোমিটার অবৈধ বিতরণ লাইনের আনুমানিক ৮০০টি অবৈধ আবাসিক গ্যাস বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন ব্যাসের আনুমানিক ১৮৫ ফুট লাইন পাইপ অপসারণপূর্বক জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া পেট্রোবাংলার ৫ নম্বর টিমসহ জোবিঅ-নেত্রকোণায় অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের কারণে বিচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগসমূহ পরিদর্শন করা হলেও কোন অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তবে আশপাশে পরিদর্শনকালে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের কারণে ১টি আবাসিক বাড়ির গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর হতে চলতি বছরের ২৬ মে পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে ২৫৫টি শিল্প, ২১৩টি বাণিজ্যিক ও ৩৯ হাজার ৪৯৮টি আবাসিকসহ মোট ৩৯ হাজার ৯৬৬টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও ৮৬ হাজার ৯৮০টি বার্নার বিচ্ছিন্নসহ উক্ত অভিযানসমূহে ১৭৪ কিলোমিটার পাইপলাইন অপসারণ করা হয়েছে।
/এসটিও