সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা : চ্যালেঞ্জ ও তার উত্তরণ

মোশরফ হোসেন

সম্পাদকীয়

স্বাস্থ্যই সম্পদ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

2025-07-21T09:51:06+00:00
2025-07-21T09:51:06+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬,
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়
সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা : চ্যালেঞ্জ ও তার উত্তরণ
মোশরফ হোসেন
প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫, ৯:৫১ এএম   (ভিজিট : ৩৭১)
প্রতীকী ছবি
স্বাস্থ্যই সম্পদ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা হলো সব জনগোষ্ঠীর মানুষের যেকোনো ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ। বিশেষায়িত চিকিৎসার হালহকিকত বাংলাদেশেও খুব একটা সুখকর নয়। এখানে আধুনিক চিকিৎসা অনুপস্থিত। বিশেষায়িত চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। এটি সত্যিকারার্থে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সরকারি হাসপাতালের ব্যয় তুলনামূলক নাগালের মধ্যে হলেও সঠিক সেবা প্রাপ্তিতে রয়েছে হতাশাজনক। গণমাধ্যম জানা যায় যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতি বছর প্রায় ৩.৭ শতাংশ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। ভয়াবহ আর্থিক লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছে ২৪.৪ শতাংশ পরিবার। কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়াতে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন দেশে চলে যান।

চিকিৎসাসেবার পাঁচ মিলিয়ন ডলারের মতো বাইরে চলে যায়। রোগীদের পর্যাপ্ত সময় দিতে চিকিৎসকের আন্তরিকতা ও আচরণের ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি অনেকে আস্থা রাখতে পারছে না। ফলে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে সক্ষম রোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীনসহ বিভিন্ন দেশে চলে যাচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী সারা বিশ্বে গত ২০ বছরে স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে অসুস্থ ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সুরক্ষার ক্রমশ নেতিবাচকতার দিকে গেছে। বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারিভাবে আইসিইউ আছে ১ হাজার ১৯৫টি, এর মধ্যে ৭৫ শতাংশই রাজধানীকেন্দ্রিক। ৩৪টি জেলা শহরে নেই আইসিইউর ব্যবস্থা। রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের অবহেলা, রোগ নির্ণয়ে উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জমাদি না থাকা, দক্ষ টেকনিশিয়ানের ঘাটতি, ওষুধের স্বল্পতা, মানহীন ভেজাল ওষুধের সয়লাব। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতালের মোট ব্যয়ের প্রায় ৮৯ ভাগ ব্যক্তির পকেট থেকে খরচ হয়।

জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, জীবন রক্ষাকারী মাত্র ১১টি ওষুধের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি সব প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নিজের মতো করে খেয়াল খুশিমতো নানা অজুহাতে প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম অযৌক্তিভাবে বাড়িয়ে থাকে। বহুল সমস্যায় জর্জরিত স্বাস্থ্য খাত। দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি, ওষুধ বাণিজ্য, কৃত্রিম সংকট, মানহীন ওষুধের আদিখ্যেতা, জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য, দুর্বল অবকাঠামো, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাৎক্ষণিক সেবা প্রদানে অক্ষমতা, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বৈষম্যমূলক অমানবিক আচরণ, উদাসীনতা, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাবে প্রমোশন-বদলি।

এ ছাড়া চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের অভাব, চিকিৎসার্থীদের জন্য দক্ষ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। চিকিৎসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মক্ষেত্রে যথাসময়ে আগমন ও প্রস্থানে নিয়মনীতি না মানা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট, মান্ধাতা আমলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি, অ্যাম্বুলেন্স সংকট।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্য কৌশল গ্রহণে গৃহীত সমস্যা, নারী, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ, দুস্থ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী—তথা দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ অনিশ্চয়তা একটি বিরাট সমস্যা। চিকিৎসকদের মধ্যে বঞ্চনা, না পাওয়ার বেদনা, ক্ষমতা ও মর্যাদাগত বৈষম্যের কারণে তাদের নিজ নিজ পেশায় অমনোযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। তারা হীনম্মন্যতায় ভোগে থাকে। পেশাগত বৈষম্য থাকলে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়, ফলে স্বাস্থ্য খাতে নেতিবাচক অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেটি মোটেও কাম্য নয়। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা দুটি বিষয়টিকে একত্র করে যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা না থাকায় মানুষ স্বাস্থ্য-শিক্ষা সচেতন হয়ে উঠছে না। খাদ্য, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা জ্ঞানের অভাবে অসুস্থ রুগ্ন-শুকনো পুষ্টিহীন সুস্থ মানবসম্পদ না হয়ে জাতির বোঝা হচ্ছে। মনে রাখতে হবে সুস্থ দেহ, সুস্থ মন। কর্মব্যস্ত সুখী জীবন।

বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ৭ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে খরচ হয়। থাইল্যান্ডে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার বাস্তবায়নের ফলে তাদের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব তো পড়েনি বরং আগের তুলনায় অর্থনীতিতে ইতিবাচকতার দিকে ধাবিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক মানের আরও বেশি হাসপাতাল স্থাপন করা গেলে চিকিৎসা ব্যয় কিছুটা কমানো গেলেও বিদেশগামিতার প্রবণতা কমে যাবে।

যেমন—চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কম, রোগী এবং রোগীদের অভিযোগ চিকিৎসরা রোগীদের প্রয়োজনীয় সময় এবং মনোযোগ দিয়ে সমস্যা শোনে না। অনেক সময় অসৌজন্যতামূলক আচরণ করে থাকে, প্রেসক্রিপসনের লেখা অস্পষ্টতার কারণে বুঝতে না পারা, নিম্নমানের কোম্পানির ওষুধ প্রেসক্রাইব করে থাকে, ভুল চিকিৎসা, দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কাটা, রিপোর্ট তোলা, রিপোর্ট প্রদানে গড়িমসি করা, রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের বাকবিতণ্ডা, দালালের দৌরাত্ম্য।

বিবিএসের জনগুরুত্বপূর্ণ এক জনমত জরিপে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। এ জরিপ থেকে জানা যায় যে, দেশের ৯১ শতাংশ মানুষ চায়, সরকার যেন সব মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে আইনগতভাবে বাধ্য থাকে। তারা মনে করে যে, এটি তাদের সাংবিধানিক অধিকার। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় যে, সাধারণ মানুষের ৬২ শতাংশ বেসরকারি হাসপাতাল বা সেবা প্রতিষ্ঠানের বিষয়টি এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

জাতিসংঘের বেঁধে দেওয়া সময়ানুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজের মাধ্যমে সবার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধতায় আবদ্ধ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যসেবা মডেল রয়েছে। কোনো কোনো দেশে রাষ্ট্রই স্বাস্থ্যসেবার সব ধরনের ব্যয়ভার বহন করে থাকে। উন্নত রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইন্দোনেশিয়া, রাশিয়া, কানাডা, থাইল্যান্ড, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারতসহ আরও অন্য দেশে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে।

জাতীয়ভাবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বেড শেয়ারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। উন্নত বিশ্বে হেলথ আইডি বা মাই হেলথ, কমিউনিটি ক্লিনিক, পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মাধ্যমে সুষ্ঠু সমন্বয় করে সেবার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। সর্বস্তরের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্বাস্থ্য-শিক্ষা কার্যক্রমকে বেগবান করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির লক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতের অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, অসহায়, ভূমিহীন, গৃহহীন রিক্ত-নিঃস্ব-হতদরিদ্রের মানুষের কথা বিশেষ বিবেচনায় সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষার আওতায় এনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। স্বাস্থ্য খাতকে জনকল্যাণমুখিতার দিকে নিয়ে যে সরকারি-বেসবকারি, আধাসরকারি, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি এনজিও, দাতা সংস্থা, বিভিন্ন স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান সবাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

চিকিৎসকদের প্রতি রোগীর আস্থা বাড়াতে রোগীবান্ধব হাসপাতাল তৈরিতে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানীয়জলের সুব্যবস্থা, মেডিকেল বর্জ্য, কঠিন বর্জ্য, পয়োনিষ্কাশনের সুব্যবস্থা রাখতে হবে। স্বাস্থ্য খাতের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে একত্রিত করে স্বাস্থ্য-শিক্ষা বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। চিকিৎসক ও নার্সদের নৈতিক শিক্ষা অর্থাৎ নীতিশাস্ত্র এবং সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে বিশেষ কোর্স চালু করতে হবে। স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনীতিমুক্ত রাখতে হবে। মানহীন ভেজাল ওষুধ প্রস্তুত, বাজারজাতকরণের ব্যাপারে মনিটরিং বাড়াতে আরও বেশি কঠোর হতে হবে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় শহরে অবস্থিত সব হাসপাতালগুলোতে দক্ষ ডাক্তারের অনুপস্থিতি কঠোর মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, স্থান বিবেচনায় সেখানে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সেখানে সেটি নিতে হবে। যেমনগ্রাম, মফস্বলে সাপের উপদ্রব বেশি, কাজেই সেখানে সাপের বিষের ইনজেকশন রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য খাতের দক্ষ লোকবল সংকট থেকে উত্তরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ওয়ান হেলথ অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবাকে দোরগোড়ায় পৌঁছানোর যাবতীয় বাস্তবভিত্তিক প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়, প্রতিটি হাসপাতালে অভিযোগ বক্স স্থাপন, অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে সমস্যা সমাধান কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ। হাসপাতাল সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়টির ওপর বিশেষভাবে জোর দিতে হবে। রোগীর প্রতি সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সে জন্য চিকিৎসকের নামসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মোটিভেশনাল ট্রেনিং, কর্তব্যপরায়ণতা শিক্ষা-প্রশিক্ষণ দিতে হবে। রোগীদের বাড়তি চাপের বিষয়টি মাথায় রেখে আসন বাড়াতে হবে। রোগীদের জন্য পুষ্টিকর স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাঠ্যবইয়ে নিম্ন শ্রেণি থেকে উচ্চতর শ্রেণিগুলো স্বাস্থ্যবিষয়ক উন্নত সিলেবাস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

স্বাস্থ্য খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমুখী খাত। এ খাতের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, আন্তঃমন্ত্রণালয় অধিদফতরকে সেবার ব্রত নিয়ে দেশমাতৃকার জন্য নিজেকে আত্মনিয়োগে সম্পৃক্ত করাটা একটি মহৎ কাজ। এই চিন্তা থেকে মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত দক্ষ মানবসমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে একটি আধুনিক স্বাস্থ্য সংস্কার করা সময়ের দাবি। এ জন্য আমাদের দল-মত নির্বিশেষে জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিতে সবাইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিতে হবে। সুস্থ জাতি বিনির্মাণে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই।

লেখক: প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি ইস্পাহানী ডিগ্রি কলেজ, কেরানীগঞ্জ


Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: