নীলফামারী-২ আসনের সাবেক এমপি ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১৫৯ কোটি টাকার ব্যাংক হিসেবে সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাবেক এমপি ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০ টাকার সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রাখেন। পাশাপাশি তিনি নিজ নামে খোলা ১৯টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৫ কোটি ৭২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ টাকা জমা ও ৭৩ কোটি ৫ লাখ ৮১ হাজার ৩০৫ টাকা উত্তোলন করেন, যা মিলিয়ে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর টানা ৫ বারের এমপি আসাদুজ্জামান নূর গ্রেফতার হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। অবৈধ সম্পদের অভিযোগের পাশাপাশি, আসাদুজ্জামান নূরকে একটি হত্যা মামলায়ও গ্রেফতার দেখানো হয়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় সংঘটিত একটি সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে ঢাকার বেইলি রোডের একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সময়ের আলো/জেডআই