সুন্দরবনের বৃক্ষ এক বিস্ময়

আঁখি সিদ্দিকা

সম্পাদকীয়

সুন্দরবনের বৃক্ষের জন্য তিন কোটি টন কার্বন বেড়েছে। কোনো একটি বনে বৃক্ষ সম্পদের অবস্থা বোঝার জন্য বিশ্বজুড়ে নতুন একটি পদ্ধতি

2025-08-25T01:46:13+00:00
2025-08-25T01:46:13+00:00
 
  শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬,
২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়
সুন্দরবনের বৃক্ষ এক বিস্ময়
আঁখি সিদ্দিকা
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ১:৪৬ এএম   (ভিজিট : ৪০৮)
ছবি : সময়ের আলো।
সুন্দরবনের বৃক্ষের জন্য তিন কোটি টন কার্বন বেড়েছে। কোনো একটি বনে বৃক্ষ সম্পদের অবস্থা বোঝার জন্য বিশ্বজুড়ে নতুন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। তা হচ্ছে ওই বনের বৃক্ষ সম্পদের মধ্যে কী পরিমাণ কার্বন মজুদ আছে। বাংলাদেশে একমাত্র সুন্দরবনের কার্বনের মজুদ নিয়ে একটি সমীক্ষা হয়েছিল ২০০৯ সালে। ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, সুন্দরবনে কার্বন মজুদের পরিমাণ ১০ কোটি ৬০ লাখ টন। ২০১৯ সালের নতুন এই সমীক্ষায় কার্বন মজুদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৬০ লাখ টনে। এখন পর্যন্ত আমাদের যে কটি বন আছে তার মধ্যে সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি।

সুন্দরবনে পা রাখিনি তখনও, কেবল জলে ভাসছি, ছাউনিওয়ালা নৌকায় ভাসতে ভাসতে ভালোবেসে ফেললাম সুন্দরবনকে! ছোটবেলা থেকে ভ্রমণপিপাসু হলেও সুন্দরবনে যাওয়া হয় একটু বড় হয়ে। তখন গবেষণা শুরু করেছি। সুন্দরবনে শরণার্থী ও হড্ডা গণহত্যা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সুন্দরবনের পূর্ব থেকে পশ্চিম শতবারের ওপরে যাওয়া হয়। যেতে যেতে সুন্দরবনের মানুষের কাছে পৌঁছে যাই তাদের দুঃখ-কষ্টের সঙ্গে বনের জীব-উদ্ভিদ বৈচিত্র্যের সান্নিধ্যে। কোথাও বন্যপ্রাণী, অপরূপ প্রকৃতি, বৃক্ষের ভালোবাসার জালে বন্দি হয়েছি বারবার।

জল থেকে নেমে প্রথম যেদিন ‘ভয়ংকর সুন্দর’ সুন্দরবনে পা দিলাম, পা পড়ল ঠিক গহীন কাদায়, টের পেলাম পায়ের নিচে শক্ত কি যেন পা-কে ফুটো করে দিচ্ছে। ব্যথায় বসে পড়লাম কাদায়, সুন্দরবনের মহিতোষ দাদা টেনে তুললেন, দেখলেন রক্ত ঝরছে আমার এক পা দিয়েই। তাড়াতাড়ি কোনো এক গাছের পাতা ছিঁড়ে মুখে চিবিয়ে দিতেই রক্ত পড়া বন্ধ গেল। পরে জানলাম পা ফুটো করল যা তা শ্বাসমূল। সুন্দরবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বা শ্বাসমূল। এক বৃক্ষ বৈচিত্র্যে রক্ত ঝরাল অন্য বৃক্ষের গুনে তা থেমেও গেল।

বুঝে গেলাম আমি এক অন্যরকম জীবনের স্বাদ পেতে যাচ্ছি। ছোটকাল থেকে তার অনুসন্ধিৎসু মনের ডানা মেলানো ছিল। আরও যোগ দিল তাতে স্থানীয় জেলে, মৌয়াল-লোকালয়ের মানুষ, বন-বনানী, নদী-খাল নিয়ে অন্যরকম গল্প, লোকগাথা, মিথ ভেতরটিকে আরও উসকে দিল যেন।

পৃথিবীর অন্যান্য ম্যানগ্রোভ বনভূমির উদ্ভিদের তুলনায় সুন্দরবনের উদ্ভিদের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়। কেননা সুন্দরবনের বুক চিরে লোনা পানি বহমান। ক্ষেত্রবিশেষে প্রবাহিত হয় স্বাদুপানির ধারা। এই বৈশিষ্ট্যই সুন্দরবনকে পৃথক করেছে বিশ্বব্যাপী অন্যান্য ম্যানগ্রোভ বন থেকে। এ বনের পূর্বাঞ্চলীয় অভয়ারণ্যে বেশি দেখা দেয়। এখানে জন্মে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, কেওড়া, আমুর গোলপাতা। পশ্চিমাঞ্চলীয় অভয়ারণ্যে বেশি দেখা দেয় গেওয়া, গরান, হেঁতাল। 

দক্ষিণাঞ্চলীয় অভয়ারণ্যে বেশি দেখা দেয় গেওয়া গাছ। এই অঞ্চলে লবণাক্ততা বেশি হওয়ায় অন্যান্য সাধারণ গাছ বেশি জন্মাতে দেখা যায় না। সুন্দরবনে কত প্রজাতির গাছ আছে তা বলা মুশকিল। সুন্দরবনের প্রধান বনজ বৈচিত্র্যের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সুন্দরী, গেওয়া, গরান এবং কেওড়া।

১৯০৩ সালে প্রকাশিত প্রেইনের হিসাব মতে সর্বমোট ২৪৫টি শ্রেণি এবং ৩৩৪টি প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে সেখানে। প্রেইনের প্রতিবেদনের পর সেখানে বিভিন্ন ম্যানগ্রোভ প্রজাতি ও তাদের শ্রেণিকরণের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়ে গেছে। বনজ প্রকৃতিতে খুব কমই অনুসন্ধান করা হয়েছে এসব পরিবর্তনের হিসাব রাখার জন্য। অন্তরের কান দিয়ে এ বনের আরও একটি হৃদয়স্পর্শী আহ্বান শুনতে পেলে মানব মঙ্গলের জন্য জন্ম নেওয়া এ বন নিজেকে সার্থক বলে মনে করবে। বিপর্যস্ত মানবতার পক্ষে নীরবে কথা বলা এ বন অসুস্থ মানুষের জীবন বাঁচাতে চায় তার বুকে ধারণ করা বনজ বৃক্ষ, বিভিন্ন প্রজাতির গুল্ম, লতার মাধ্যমে সৃষ্টি ভেষজ ওষুধের মাধ্যমে।

বর্তমানে দেশ-বিদেশে আধুনিক সভ্য সমাজের মানুষের কাছে ভেষজ ওষুধ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর গ্রহণযোগ্যতা ও চাহিদা বেড়েই চলছে। শরীরের জন্য বেশ উপযোগী মনে করছেন চিকিৎসকরা। সুন্দরবনের গহীন থেকে গহীনে জন্ম নেওয়া লতাপাতা, গুল্ম, বৃক্ষ থেকে মানুষের জীবনরক্ষাকারী মহামূল্যবান ভেষজ ওষুধ উদ্ভাবন সম্ভব।

খলিশা : হানিপ্ল্যান্ট হিসেবে খলসি/খলিশা গাছের বেশ কদর সুন্দরবনে। গুল্মজাতীয় এই বৃক্ষ মার্চ-এপ্রিলে তখন ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। মৌমাছিরা তখন সেই ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে গাছে গাছে চাক বাঁধে। সুন্দরবনের খলসি মধু বিখ্যাত ও উন্নতমানের।

সুন্দরী : সুন্দরবনের অধিকাংশ গাছই চিরসবুজ ম্যানগ্রোভ শ্রেণির। এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী। ধারণা করা হয় এ গাছের নামেই সুন্দরবনের নামকরণ করা হয়েছে। এই বৃক্ষের কাঠ অত্যন্ত টেকসই, মজবুত ও ভারী। সাঁকো, নৌকা, আসবাবপত্র, ঘরের খুঁটি, বৈদ্যুতিক পিলার প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহৃত সুন্দরী বৃক্ষ জ্বালানি হিসেবেও উত্তম। এর কাঠ খুবই মূল্যবান। বলেশ্বর ও শিবসা নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে সুন্দরী গাছের সমারোহ।

পশুর : বনের অন্যতম মূল্যবান বৃক্ষ হলো পশুর। এই গাছের নামে একটি নদীরও নামকরণ করা হয়েছে। বনের অধিক লোনা অঞ্চলে নদী-খালের তীরে এর বিস্তৃতি। নৌকা, আসবাবপত্র, ঘরের খুঁটি, বৈদ্যুতিক খুঁটি প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে আসা এই গাছ বর্তমানে কাটা সম্পূর্ণ নিষেধ। মাটির নিচে শত বছরেও নষ্ট হয় না পশুর কাঠ। তাই রেললাইনে বহুল ব্যবহৃত হয়। বনের জীবাশ্ম হিসেবেও তাই এর গুরুত্ব অনেক। পশুর গাছ সুন্দরবনের প্রায় সব জায়গাতে পাওয়া যায়।

গেওয়া : সুন্দরবনের সর্বাধিক বর্ধনশীল গাছ। এই গাছ সর্বোচ্চ ১৩ মিটার উঁচু হয়। এর কাণ্ড ও কাঠ বেশ নরম। গেওয়ার প্রধান ব্যবহার ছিল খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিলের কাঁচামাল হিসেবে। প্যাকিং বক্স, দিয়াশলাই, খুঁটি, পেন্সিল, ঢোল, তবলা ও খেলনা নির্মাণেও এর যথেষ্ট ব্যবহার রয়েছে। এর বাকল জ্বালানি হিসেবে সমাদৃত। গেওয়া ফুল মধুর প্রধান উৎস। এর কচিপাতা ও ফল হরিণের খাদ্য।

গরান : গরান ঝোপজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাঠ অন্যতম সেরা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মাঝারি উচ্চতার অত্যন্ত শক্ত লালচে বর্ণের গরান গাছ ঘরের খুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বনের প্রায় সর্বত্রই কম-বেশি গরান দেখা যায়। আর লুকানোর স্থান হিসেবে বাঘের পছন্দ এই গরান ঝোপ। ঔষধি গুণসম্পন্ন এই গরানের ছালের কষ রং তৈরি, জাল রং করা ও চামড়া ট্যান করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

কেওড়া : সুন্দরবনের অন্যসব গাছের মতো কেওড়া গাছ মানুষের কাজে খুব একটা না লাগলেও সুন্দরবনের বানর এবং হরিণ অনেকাংশে এই গাছের ওপর নির্ভরশীল। নদী ও খালের কাছেই এই গাছ জন্মায়। এর ফলের স্বাদ টক। কেওড়া ফলের চাটনি বা টক মুখরোচক। কেওড়া বা ওড়া একই প্রজাতির গাছ।

ছইলা : এরও টক রান্না করে খায়।

ধুন্দুল : পশুর বা ধুন্দুল একই প্রজাতির গাছ। তবে পশুর থেকে এর ফলের আঁকার বেশ বড় হয়। এই গাছ বনের ভেতরে শক্ত মাটিতে জন্মায়।

বাইন : তিন ধরনের বাইন। নতুন পলি জমে যে ভূখণ্ড জেগে ওঠে তাতে বাইনের বন বেশি গড়ে উঠতে দেখা যায়। বাইন বেশ বড় গাছ, এর আয়ুও বেশ দীর্ঘ। এই গাছে ভালো কাঠ হয়। তিন প্রজাতির বাইন দেখা যায় সুন্দরবনে। একটি দেখতে কেওড়ার মতো, নদীর খানিকটা উঁচুতে এটি জন্মে।

হেঁতাল : হেঁতাল গাছ লবণাক্ত জমিতে কম জন্মায়। এই গাছ জন্মায় উঁচু জমিতে, দেখতে অনেকটা খেজুর গাছের মতো। এক জায়গায় অনেক হেঁতাল ঝাড় দেখা যায়। হেঁতাল দৈর্ঘ্যে ৫-৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। হেঁতাল গাছের আশপাশে বাইন গাছও দেখা যায়। এই গাছ সুন্দরবনের সর্বত্রই দেখা যায়। এর ফুল থেকে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহ করে।

গোলপাতা : সুন্দরবনের অন্যতম খ্যাতিমান গাছ হলো গোলপাতা। নারকেলজাতীয় এই গাছটি মাটির ওপরে মুলাকৃতির কাণ্ড থেকে নারিকেল বা তালপাতার মতো সরাসরি বেরিয়ে আসে। শাখাহীন এই গাছের ফল আকারে প্রায় ফুটবলের মতো বড়, এ ফলের কারণেই এই গাছের নাম গোল হয়েছে। এর ফল খেতে বেশ সুস্বাদু, কিছুটা তালের শ্বাসের মতো। এই গাছের পাতা দিয়ে ঘর ছাওয়া যায়।

টাইগার ফার্ন : গা-ঢাকা দেওয়ার জন্য বাঘ এসব ঝোপ ব্যবহার করে।

গর্জন : সুন্দরবনের প্রায়ই সবখানে গর্জন গাছের দেখা পাওয়া যায়। এই গাছের পাতা রাবার গাছের পাতার মতো পুরু। ফুল ছোট আর ফল হয় বকফুল কিংবা সজনের ফলের মতো লম্বাটে। কাঠ লালচে ধূসর বর্ণের। কাঠ খুব টেকসই নয়। এর ফল দেখতে ছাগলের শিংয়ের মতো।

কাঁকড়া : কাঁকড়া গাছের পাতাও কিছুটা গর্জন পাতার মতো দেখতে হয়। তবে এ গাছের ফুলের বৃন্ত লাল কাঁকড়ার পায়ের মতো দেখায় বলে একে কাঁকড়া গাছ বলা হয়ে থাকে। এর কাঠ মজবুত এবং শক্তিশালী হওয়ার কারণে ঘরের ছাদের বীম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পরশপিপুল : কেওড়ার মতো নদীর ধারে পরশ গাছও জন্মায়। নদীর ধারে পরশ গাছের ঝাড় দেখা যায়।

হরগোজা : এই গাছে কাঁটা ভর্তি থাকে। ফুল বেগুনি রঙের।

বনের হাজার হাজার মন শুকনা কাঠ, পাতা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছে উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণ। সুন্দরবনের গোলপাতা আরও একটি আয়ের উৎস। সুন্দরবন একদিকে যেমন ব্যক্তিকেন্দ্রিক আয়ের উৎস অন্যদিকে সরকারি রাজস্ব আয়েরও উৎস।

সুন্দরবনের আশপাশের বসতি এলাকায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে গোলপাতাসহ নানা ম্যানগ্রোভ প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে, যা সেখানকার বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকা বৃদ্ধি করছে ও স্থানীয়দের আয় বাড়াচ্ছে। উপকূলে নতুন জেগে ওঠা চরসহ ফাঁকা জমিতে গাছ লাগানোর বিষয়টি বনবিভাগ দেশে জনপ্রিয় করে তুলেছে। এ ছাড়া গ্রামের মানুষ গাছকে তার ‘সামাজিক বীমা’ হিসেবে দেখে।

সুন্দরবনের বৃক্ষের জন্য বিস্ময়ের ফলে তিন কোটি টন কার্বন বেড়েছে। কোনো একটি বনে বৃক্ষ সম্পদের অবস্থা বোঝার জন্য বিশ্বজুড়ে নতুন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। তা হচ্ছে ওই বনের বৃক্ষ সম্পদের মধ্যে কী পরিমাণ কার্বন মজুদ আছে। বাংলাদেশে একমাত্র সুন্দরবনের কার্বনের মজুদ নিয়ে একটি সমীক্ষা হয়েছিল ২০০৯ সালে। ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, সুন্দরবনে কার্বন মজুদের পরিমাণ ১০ কোটি ৬০ লাখ টন। ২০১৯ সালের নতুন এই সমীক্ষায় কার্বন মজুদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৬০ লাখ টনে। এখন পর্যন্ত আমাদের যে কটি বন আছে তার মধ্যে সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি। কারণ বৃক্ষ। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সুন্দরবনের বৃক্ষ সম্পদ বেড়েছে।

এটি এই বনের প্রাকৃতিক শক্তিমত্তার পরিচয়। তবে এর চারপাশে শিল্প-কারখানা, পর্যটন কেন্দ্রের নামে অবকাঠামোর যে চাপ বাড়ছে, তাতে দীর্ঘমেয়াদে এই বনের প্রাকৃতিক সম্পদকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তাই সরকারের উচিত সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর সব ধরনের তৎপরতা বন্ধে কঠোর হওয়া।

এমএইচ


Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: