গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে বাংলাদেশের অবদান নগণ্য হলেও দেশীয় পর্যায়ে নির্গমন হ্রাসে

2025-09-30T17:51:33+00:00
2025-09-30T17:51:33+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন
মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:৫১ পিএম 
সোনারগাঁও হোটেলে মঙ্গলবার ‘পাথওয়েস টু ইমিশন রিডাকশন ইন রাইস এন্ড লাইভস্টক সেক্টর ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মৎস্য উপদেষ্টা। ছবি : বাসস
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে বাংলাদেশের অবদান নগণ্য হলেও দেশীয় পর্যায়ে নির্গমন হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। 

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘পাথওয়েস টু ইমিশন রিডাকশন ইন রাইস এন্ড লাইভস্টক সেক্টর ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক মিটিগেশন মার্কেটপ্লেস-এর ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন উপদেষ্টা। 

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিখাত থেকে নির্গত গ্যাসের প্রধান উৎস দু’টি রুমিন্যান্ট (জাবর কাটা) প্রাণীদের হজম প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন মিথেন এবং প্রাণীর মল ব্যবস্থাপনায় উৎপন্ন মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড। গবাদিপশুর মধ্যে গরু সবচেয়ে বেশি নির্গমনের জন্য দায়ী, এরপর রয়েছে মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। বিশ্বজুড়ে মানবসৃষ্ট মোট গ্রীনহাউস গ্যাসের প্রায় ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ এ খাত থেকে আসে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

তিনি বলেন, সুষম খাদ্য ব্যবহার করলে রুমিন্যান্ট (জাবর কাটা) প্রাণীর হজম প্রক্রিয়াজনিত মিথেন নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব। 


তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) গরুর মিথেন নির্গমন পরিমাপ এবং তা হ্রাসে বিভিন্ন গবেষণা পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি গবাদিপশুর নির্গমন নির্ধারণে উন্নত মডেল ও পদ্ধতি ব্যবহার করছে। উন্নতমানের খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও খাদ্যের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে কীভাবে নির্গমন হ্রাস করা যায়, তা অনুসন্ধান করছে বিএলআরআই। 

বক্তারা বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নির্গমন হ্রাস একসাথে নিশ্চিত করে ধান, দুধ ও মাংসের কম-কার্বন পণ্য হিসেবে বাজারজাতকরণ করলে দেশীয় কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি মূল্যে বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই ধরনের পণ্য ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে কৃষকের আয় ও জীবনমান বৃদ্ধি সম্ভব। 

বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম গবেষণা সেন্টার (সিমিট) এবং কনসালটেটিভ গ্রুপ ফন ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকাল রিসার্চের (সিজিআইএআর) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র এগ্রিকালরাল স্পেশালিস্ট সন থান ভো। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিমিটের সিনিয়র এগ্রিকালরাল ইকোনোমিস্ট টি এস আমজাহ বাবু। 

গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জিন পেজমি। 


সময়ের আলো/এনএ 


  বিষয়:   গ্রিনহাউস  গ্যাস  নির্গমন  কার্যকর পদক্ষেপ  মৎস্য উপদেষ্টা  ফরিদা আখতার 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: