গত ছয় দিনে মালদ্বীপে ৪ বাংলাদেশি প্রবাসী মারা গিয়েছেন। মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস জানিয়েছে বর্তমানে তাদের মরদেহ হিমাগারে রাখা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) মৃত্যুবরণকারী এ চার বাংলাদেশির মরদেহ দেখতে হিমাগারে যান মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে দুইজন হৃদরোগ, একজন ‘আত্মহত্যা’ এবং একজন কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলেও বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়। গত ২৩ অক্টোবর মালের ইন্দ্রাগান্দী মেমোরিয়াল হাসপাতালে বাংলাদেশি প্রবাসী আলম চাদ মিয়া (৪৩) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর একইভাবে ২৫ অক্টোবর মারা যান রাসেল (৩৮)।
এছাড়া গত ২৬ অক্টোবর ইয়াশ ন্যাচার রিসোর্টসে মো. ইমরান হোসেন (২৪) ‘আত্মহত্যা’ করেন। গত ২৭ অক্টোবর হাসপাতালে প্রবাসী রহমান মিয়া (৪২) মারা যান। তিনি কন্সট্রাকশনের কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে মারা যান।
দূতাবাস জানায়, মৃত রাসেলের মরদেহ আগামী ২৮ অক্টোবর কোম্পানির অর্থায়নে এবং দূতাবাসের সহযোগিতায় বাংলাদেশে পাঠানো হবে। মৃত আলম চাদ মিয়া আনডকুমেন্টেটস হওয়ায় এবং কোনও বৈধ কোম্পানি না থাকায় পরিবারের অনুরোধে বাংলাদেশ হাইকমিশন পক্ষ হতে তার মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হবে, মৃত মো. ইমরান হোসেন এবং মৃত রহমান মিয়ার মরদেহ কোম্পানি অর্থায়নে এবং দূতাবাসের সহযোগিতায় বাংলাদেশে আনা হচ্ছে।
আমাদের প্রিয় বাংলাদেশিদের এই দুঃখের মুহূর্তে বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের পাশে রয়েছে। প্রিয়জনদের মরদেহ যেন সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বাংলাদেশে পৌঁছানো যায়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
/ইউএমএইচ