বছরের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনা বড় জয় পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই মাঠে নামলেও, স্বাগতিক অ্যাঙ্গোলার শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভাঙতে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) লিওনেল মেসির দল অবশ্য ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব সম্প্রতি শেষ হওয়ার পর, দলের আন্তর্জাতিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে আর্জেন্টিনা এ প্রীতি ম্যাচটি খেলতে গিয়েছিল। নভেম্বর মাসের একমাত্র ম্যাচটি ছিল লুয়ান্ডার এস্তাদিও ১১ দে নভেম্ব্রে স্টেডিয়ামে, যেখানে অ্যাঙ্গোলার বিরুদ্ধে মাঠে নামে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অ্যাঙ্গোলার স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য ছিল একটি বড় পরীক্ষার মঞ্চ, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে। তবে, প্রথমার্ধে গোলের জন্য তাদের বেশ কিছু সুযোগ মিস হয়েছে।
আরও পড়ুন
১২ মিনিটে বিপদের মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা, যখন কর্নার থেকে অ্যাঙ্গোলার একটি শট রুখে দেন গোলকিপার রুলি। ২১ মিনিটে মেসির সামনে গোলের সুযোগ এসেছিল, কিন্তু অ্যাঙ্গোলার গোলরক্ষক মারকেস বাধা সৃষ্টি করেন। ৩৯ মিনিটে গঞ্জালেসের পাসে মেসির শট ক্রসবারের উপর দিয়ে চলে যায়।
তবে, ৪৩ মিনিটে মেসির একটি নিখুঁত পাস থেকে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করেন, যা প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার একমাত্র গোল ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা কোনো বড় সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলেও, ৮২ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে জয় নিশ্চিত করে।
মেসি বিপক্ষের রক্ষণে আক্রমণ করলে বল হারিয়ে ফেলেন, কিন্তু লাউতারো শট নিয়ে তাকে সহজ গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন। এতে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হয়।
অক্টোবর মাসে আর্জেন্টিনা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখায়। তারা ভেনেজুয়েলাকে ১-০ এবং পুয়ের্তো রিকোকে ৬-০ গোলে পরাজিত করেছিল। তবে, নভেম্বরে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই খেলতে হয় তাদের। নিয়মিত গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকেও এই ম্যাচে দলে রাখা হয়নি।
এ ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা স্পেনে সপ্তাহজুড়ে প্রস্তুতি নিয়েছিল, যেখানে এলচের মানুয়েল মার্টিনেস ভালেরো স্টেডিয়ামে ২০ হাজারেরও বেশি দর্শক উপস্থিত ছিল। অন্যদিকে, অ্যাঙ্গোলা ইতোমধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সুযোগ হারিয়েছে, ডি গ্রুপে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা শেষ করেছে চতুর্থ স্থানে।
এএডি/