প্রায় মানুষের জীবনে কখনো এমন সময় আসে, যখন জীবনকে খুব ভারী মনে হয়। মনে হয়, জীবন সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। রিজিকে বরকত নেই। পরিবার নিয়ে নানা রকম দুশ্চিন্তা ভর করে মাথায়। এ অব্স্থায় প্রিয় নবী (সা.) সুন্দর একটি দোয়া শিখিয়েছেন। আনাস ইবনু মালিক (রা.) বলেন, ‘আমার মা, আমাকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এ ছোট খাদেম আনাস, আপনি আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করুন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি বললেন—
বাংলা উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্ম আকসির মা লাহু, ওয়া ওয়ালাদাহু, ওয়া আতিল ওমরাহু, ওয়াগফির লাহু, ওয়া বারিক লাহু ফিমা রাজাকতাহু।’
বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি তার অর্থ, সন্তান ও বয়স বেশি করে দিন। আর তাকে ক্ষমা করুন এবং তাকে যে রিজিক দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। (সহিহ বোখারি, হাদিস : ৬৩৪৪)
এছাড়াও রিজিক বৃদ্ধির আরও আমল রয়েছে। যেমন—নিয়মিত তাকওয়া ও নামাজে স্থিরতা রাখা, চাশতের নামাজ আদায় করা, নিয়মিত ইসতেগফার করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখা ও বেশি বেশি দোয়া করা।
আল্লাহতায়ালা মানুষকে হালাল উপায়ে রিজিক অন্বেষণের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিতে হয়েছে, ‘অতঃপর যখন জুমার নামাজ শেষ হয়ে যাবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর।’ (সুরা জুময়া, আয়াত : ১০)
আল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীর প্রত্যেক জীবের জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর। তিনি জানেন তারা কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত হয়। সবকিছুই (উল্লেখ) এক সুবিন্যস্ত কিতাবে (লওহে মাহফুজে) রয়েছে।’ (সুরা হুদ, আয়াত : ৬)
আরআর