শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দেশের বিভিন্ন স্থানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
সি আর আবরার বলেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আন্দোলনের নামে যা করছেন, তা সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য আপনাদের কিন্তু তৈরি থাকতে হবে। এখানে সরকার একেবারে দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই মনে করি যে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা যে অবস্থান নিয়েছেন, যেমন- অনেক স্কুলে পরীক্ষা হয়েছে, আবার অনেক স্কুলে হয়নি, এটা একেবারেই অনভিপ্রেত একটি ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, এটা অন্যায়, অন্যায্য যে তারা নবম গ্রেডে আসতে চাইছেন। কারণ চাকরি যখন নিয়েছিলেন, তারা জানতেন দশম গ্রেডে থাকবেন। সেখান থেকে নবম গ্রেডের এ দাবি, এটা তাদের চাকরির শর্তের মধ্যে মোটেই ছিল না। সুতরাং এটা একটা অন্যায্য ও অন্যায় দাবি। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে নবম গ্রেডে বিসিএস অ্যাডমিন ক্যাডাররা আসেন। কাজেই এটা এককভাবে তাদের সঙ্গে সমাধানের কোনো বিষয় নয়। এটা হচ্ছে আন্তমন্ত্রণালয়ের বিষয়। এই পদে যে কেউ হুট করে চাইলেই যেতে পারেন না।
এদিকে, চার দফা দাবিতে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতি চলছে। এতে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো অধিকাংশ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে কোথাও কোথাও কর্মচারীদের পাহারায় পরীক্ষার আয়োজন করেন প্রধান শিক্ষকরা।
এদিকে, কোনো কোনো সরকারি স্কুলে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আর কোথাও কোথাও পরীক্ষা দিতে স্কুলে গিয়েও অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরে গেছে। এ অবস্থায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।
সময়ের আলো/কেএইচও