৫.৭ মাত্রার কম্পনটিই মূল ভূমিকম্প, বাকিগুলো আফটারশক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

সম্প্রতি সারা দেশে অনুভূত হওয়া ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূ-কম্পনটি মূল ভূমিকম্প বলে জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট

2025-12-04T19:30:18+00:00
2025-12-04T19:30:18+00:00
 
  মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয়
৫.৭ মাত্রার কম্পনটিই মূল ভূমিকম্প, বাকিগুলো আফটারশক
ঢাবি অধ্যাপক জিল্লুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৩০ পিএম 
প্রতীকী ছবি
সম্প্রতি সারা দেশে অনুভূত হওয়া ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূ-কম্পনটি মূল ভূমিকম্প বলে জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান। এখন পর্যন্ত অনুভূত ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটিই ছিল মূল ভূমিকম্প পরবর্তীতে যেগুলো হচ্ছে, সেগুলো মূলত ওই ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রতিক্রিয়া বা 'আফটারশক' বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। 

তিনি জানান, ৫.৭ মাত্রার মূল ভূমিকম্পটি স্বাধীনভাবে সংঘটিত হয়েছে। অর্থাৎ, এটি কোনও পূর্ববর্তী কম্পনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ভূগর্ভের শক্তি সঞ্চিত ছিল তা ফল্ট বরাবর মুভমেন্টের ফলে এই শক্তিটা ভূমিকম্পের মাধ্যমে রিলিজ হয়েছে। 

Advertisement
পরবর্তী কম্পনগুলোর কারণ ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এখন যে ছোট ভূমিকম্পগুলো হচ্ছে, সেগুলো ডিপ ভূমিকম্প, এগুলো হওয়ার কথা ছিল না। মূলত বড় ভূমিকম্প হওয়ার কারণেই এখন অ্যাডজাস্টমেন্টের জন্য এসব ছোট ভূমিকম্প হচ্ছে। কারণ, ভূ-পৃষ্ঠের এক জায়গা ওপরে উঠে গেছে, আরেক জায়গা নিচে নেমে গেছে এখন সেটাই আবার ভারসাম্যে ফিরছে।’ 

আফটারশক কতদিন স্থায়ী হতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই অ্যাডজাস্টমেন্ট নির্ভর করে মূল ভূমিকম্পের মাত্রার ওপর। ম্যাগনিচিউড বড় হলে অ্যাডজাস্টমেন্টেও এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। অর্থাৎ, এক বছর পর্যন্ত আফটারশক হতে পারে। আমাদের যে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি হয়েছে এটি মাঝারি ধরনের।’ 


মাটির গঠনপ্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নরসিংদী এলাকাটা 'থিক সেডিমেন্টারি ডিপোজিটের' ওপর অবস্থিত যা খুব নরম মাটি। এখানে অ্যাডজাস্টমেন্ট হতে মাসখানেকের বেশি সময়ও লাগতে পারে। আবার এমনও হতে পারে এ ধরনের আফটারশক আর নাও হতে পারে।’ 

ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তনের বিষয়ে অধ্যাপক জিল্লুর বলেন, ‘৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ভূ-পৃষ্ঠে এতো বড় ঝাঁকুনি লেগেছে যে প্রায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার এলাকায় বড় ফ্র্যাকচার বা ফাটল তৈরি হয়েছে। এই ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভূ-পৃষ্ঠ ফেটে কয়েক সেন্টিমিটার ওপর-নিচ হয়ে গেছে। ফলে, বহু জায়গায় রিঅ্যাডজাস্টমেন্টের প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণেই নরসিংদীর ভেতরেই এবং ওই ফল্টের আশেপাশে এই ভূমিকম্পগুলো সীমাবদ্ধ রয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘এখনও আমরা গত কয়েকদিনের কম্পনগুলোকে আফটারশকই বলব কারণ এগুলোর কোনোটির মাত্রাই মূল ভূমিকম্পের চেয়ে বড় নয়। এর চেয়ে বড় হলে তখন সেটা আমাদের উদ্বেগের কারণ হবে।’ 

সময়ের আলো/এনএ 
  বিষয়:   ঢাবি অধ্যাপক  জিল্লুর রহমান  ৫.৭ মাত্রার কম্পন  মূল ভূমিকম্প  আফটারশক 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: