অনলাইন জুয়ার ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

মো. জসিম উদ্দিন, প্রভাষক, অর্থনীতি বিভাগ, জয়পুরা এসআরএমএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর

সম্পাদকীয়

আজকের তরুণ প্রজন্মের হাতে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে স্মার্টফোন। এটি তথ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের এক বিশাল জানালা খুলে দিয়েছে।

2025-12-08T02:39:18+00:00
2025-12-08T02:39:18+00:00
 
  রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬,
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
স্মার্টফোনে স্মার্ট নয়, সর্বনাশ
মো. জসিম উদ্দিন, প্রভাষক, অর্থনীতি বিভাগ, জয়পুরা এসআরএমএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর
প্রকাশ: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৩৯ এএম   (ভিজিট : ৩৬৯)
গ্রাফিক : সময়ের আলো
আজকের তরুণ প্রজন্মের হাতে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে স্মার্টফোন। এটি তথ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের এক বিশাল জানালা খুলে দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এই প্রযুক্তির আশীর্বাদ এখন অনেকের জন্য অভিশাপে পরিণত হচ্ছে। পড়াশোনা বা সৃজনশীল কাজে ব্যবহার না হয়ে বহু তরুণ আজ স্মার্টফোনের পর্দায় ডুবে আছে এক ভয়ংকর আসক্তিতে অনলাইন জুয়া বা গেম্বলিংয়ে।

বাংলাদেশে অনলাইন জুয়া কোনো নতুন বিষয় নয়, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর বিস্তার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিশেষত কোভিড-পরবর্তী সময়ে যখন অনেক তরুণ বেকার হয়ে পড়ে, তখন বিনোদনের ছলে শুরু হয় এই অনলাইন বাজি খেলা। শুরুটা হয় ছোট পরিসরে ‘মজা করে দেখি’, ‘শুধু একশ টাকায় শুরু’-এরকম ভাবনায়। কিন্তু ধীরে ধীরে এটি পরিণত হয় এক গভীর আসক্তিতে, যা থেকে বেরিয়ে আসা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

ভার্চুয়াল ফাঁদে তারুণ্যের করুণ পরিণতি 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার রুবেল ছিল এক সাধারণ কলেজশিক্ষার্থী। মহামারির সময় ঘরে বসে একঘেয়েমি কাটাতে সে ইউটিউবে দেখে এক প্রলুব্ধকর বিজ্ঞাপন ‘একটা স্পিন ঘোরান, সঙ্গে সঙ্গে আয় করুন ৫০০ টাকা!’ প্রথমে কৌতূহল থেকে খেলতে শুরু করে, পরে তা নেশায় রূপ নেয়। 

কয়েকবার সামান্য জেতার পর রুবেলের মনে জন্ম নেয় এক ভুল বিশ্বাস এই খেলাতেই নাকি ভাগ্য খুলে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল উল্টো। একের পর এক হারতে হারতে সে ‘অনলাইন লোন অ্যাপ’ থেকে ঋণ নেয়, বন্ধুর কাছে টাকা ধার করে, এমনকি মায়ের স^র্ণের চেইন বিক্রি করে নতুন করে বাজি ধরতে থাকে। শেষে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে রুবেল মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, কলেজ ছেড়ে দেয়, আর তার পরিবার আজও সেই ঋণ শোধে সংগ্রাম করছে।

রুবেলের গল্প ব্যতিক্রম নয়; দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় এমন শত শত তরুণ একই অদৃশ্য ফাঁদে আটকা। প্রতিদিন সংবাদে দেখা যায় কোথাও এক ছাত্র অনলাইন গেমে হেরে জীবন দিয়েছে, কোথাও কেউ পরিবার থেকে টাকা চুরি করে ঢুকেছে জুয়ার জালে। কেউ বন্ধুর কাছ থেকে ধার নিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে, আবার কেউ আইনের জালে ধরা পড়ছে। সমাজে এক নতুন নেশা জন্ম নিয়েছে অর্থ নয়, ভার্চুয়াল পর্দার মায়াজালে হারাচ্ছে একের পর এক তরুণ জীবন, নিভছে অসংখ্য পরিবারের স্বপ্ন।

পরিসংখ্যানে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা 


বাংলাদেশে অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে অনলাইন জুয়া, বেটিং ও মোবাইল অ্যাপভিত্তিক প্রতারণার অভিযোগ বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। ২০২৪ সালে দেশের সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি, যার ৬৫ শতাংশ তরুণ (১৮-৩০ বছর বয়সি)। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর একটি অংশ নিয়মিতভাবে বিদেশি বেটিং সাইট ও অ্যাপ ব্যবহার করছে।

বিটিআরসির তথ্যে দেখা যায়, ২০২৩ সালে ৬০০টির বেশি অনলাইন জুয়া ও বেটিং ওয়েবসাইট বন্ধ করা হলেও  প্রতিদিন নতুন সাইট চালু হচ্ছে। আরও উদ্বেগজনক হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা এসব প্ল্যাটফর্মে যাচ্ছে, যা মূলত তরুণ ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থেকে।

২০২৪ অনুযায়ী, প্রতি ১০ জন তরুণের মধ্যে ৩ জন অন্তত একবার অনলাইন জুয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক স্বীকার করেছে, এটি তাদের পড়াশোনা ও পারিবারিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রবণতা এভাবে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরে তরুণ জনগোষ্ঠীর উৎপাদনশীলতা ১৫-২০ শতাংশ কমে যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিশ্বব্যাপী অনলাইন জুয়ার বাজার এখন প্রায় ৯০ বিলিয়ন ডলার। মোবাইল ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় এই খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ ইতিমধ্যে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে, যেখানে অবৈধ বেটিংয়ের জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও সুনির্দিষ্ট আইন নেই, ফলে তরুণরা সহজেই বিদেশি ওয়েবসাইট ও অ্যাপের ফাঁদে আটকা পড়ছে। 

অনলাইন জুয়ার ছলে ধ্বংস 


এই জুয়া বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ, টেলিগ্রাম চ্যানেল, ফেসবুক গ্রুপ, এমনকি ইউটিউব লাইভের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটবল বা ক্রিকেটের ম্যাচে বাজি ধরা, র‌্যান্ডম নাম্বার গেম, অনলাইন কুইজ সবই এখন টাকার খেলা। ‘এক ক্লিকে আয়’ বা ‘১০০ টাকা বিনিয়োগে ১,০০০ টাকা লাভ’ এই মিথ্যা প্রলোভনে পড়ে অসংখ্য তরুণ আর্থিক ও মানসিকভাবে নিঃস্ব হচ্ছে।

অনলাইন জুয়ার সবচেয়ে বড় ভয়াবহতা হলো এটি অদৃশ্য আসক্তি। মাদক বা সিগারেটের মতো শারীরিকভাবে দৃশ্যমান নয়, কিন্তু মানসিকভাবে এটি আরও ভয়ংকর। শুরুতে মনে হয় ‘চেষ্টা করলে ছাড়তে পারব’, কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, প্রতিবার হারের পর পরবর্তী খেলায় জেতার আশায় টাকা ঢালা চলতেই থাকে। এতে শিক্ষাজীবন ভেঙে যায়, পরিবারে অশান্তি দেখা দেয়, এমনকি আত্মহননের ঘটনাও ঘটছে।

সমাজে বাড়ছে অপরাধ ও ঋণজাল 


অনলাইন জুয়ার নেশা শুধু ব্যক্তিকে নয়, সমাজকেও বিপর্যস্ত করছে। অনেক তরুণ হারানো টাকা ফেরত পেতে পরিবারের কাছ থেকে চুরি করছে, বন্ধুর কাছ থেকে ধার নিচ্ছে, এমনকি মোবাইল লোন অ্যাপ থেকে সুদে টাকা নিচ্ছে। এর ফলে অর্থনৈতিক ও মানসিক বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক থানার রিপোর্টে দেখা যায়, মোবাইল ফ্রড, অনলাইন প্রতারণা ও আত্মহত্যার ঘটনা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি ‘উৎপাদনহীন খরচ’, যা জাতীয় মানবসম্পদকে ক্ষয় করছে। এ ছাড়া, অধিকাংশ প্ল্যাটফর্ম বিদেশি সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় প্রতি বছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে পাচার হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

নিয়ন্ত্রণহীন ভার্চুয়াল জগৎ 


বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তির অগ্রগতি যেমন দ্রুত হয়েছে, তেমনি অনলাইন নিরাপত্তা ও সাইবার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। অনেক অনলাইন জুয়া অ্যাপ সরাসরি দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়। ফলে এগুলোকে বন্ধ বা ট্র্যাক করা সহজ নয়। 

যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বেশ কিছু সাইট ও অ্যাপ ব্লক করেছে, কিন্তু প্রতিদিনই নতুন নামে নতুন লিংক তৈরি হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক সময় তরুণরা বুঝতেই পারে না যে তারা জুয়ার ফাঁদে পড়ছে। গেমের ভেতর ‘কয়েন কেনা’, ‘লেভেল আনলক করা’ বা ‘স্পিন চাকা ঘোরানো’ এসবের মাধ্যমেও তারা অজান্তে অর্থ লেনদেনে যুক্ত হচ্ছে।

মানসিক স্বাস্থ্য ও কাউন্সেলিং ফোকাস 

অনলাইন জুয়াকে কেবল আর্থিক সমস্যা হিসেবে দেখলে ভুল হবে; এটি এক ধরনের মনোরোগ বা গভীর আসক্তি। মাদকের আসক্তির মতোই এটি মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিবর্তন আনে। তাই তিরস্কার না করে, পরিবারকে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও কাউন্সেলিংয়ের পথ বেছে নিতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবেও এই আসক্তদের জন্য পুনর্বাসন বা সাইকো-সোশ্যাল কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা জরুরি। এই পদক্ষেপ জুয়াড়ি এবং তার পরিবার-উভয়কেই দীর্ঘমেয়াদি মানসিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করবে।

মিডিয়ার নৈতিক দায়িত্ব ও বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ 


অনলাইন জুয়ার প্রসার বৃদ্ধির একটি কারণ হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর চটকদার বিজ্ঞাপন। অনেক সময় জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার বা সেলিব্রিটিরা টাকার বিনিময়ে এসব জুয়ার অ্যাপের প্রচার করছেন, যা হাজার হাজার তরুণকে ফাঁদে ফেলছে। রাষ্ট্রের উচিত যেমন কঠোরভাবে এসব বিজ্ঞাপন বন্ধ করা, তেমনি মিডিয়া এবং খ্যাতিমান ব্যক্তিদেরও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে এ ধরনের ক্ষতিকারক পণ্যের প্রচার থেকে বিরত থাকা। দেশের তারুণ্যকে  রক্ষায় আর্থিক লাভের চেয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। 

পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা 

এ সমস্যার সমাধানে কেবল আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতাও সবচেয়ে জরুরি। অভিভাবকরা সন্তানের মোবাইল ব্যবহারে নজরদারি করতে পারেন, সময়ভিত্তিক সীমা নির্ধারণ করতে পারেন। স্কুল-কলেজে ডিজিটাল লিটারেসি বা অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া দরকার, যাতে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারে অনলাইন জুয়া কোনো ‘গেম’ নয় এটি একটি অপরাধ এবং মানসিক রোগের সূচনা।

এ ছাড়া সমাজে সফল তরুণ উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের উদাহরণ ছড়িয়ে দিতে হবে। যখন তরুণরা বিকল্প অনুপ্রেরণা পাবে যেমন ফ্রিল্যান্সিং, কোডিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, অনলাইন শিক্ষাদান তখন তারা সহজেই ‘সহজ টাকার’ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে।

রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের প্রয়োজন 

এ সংকট এখন ব্যক্তিগত নয়, জাতীয় পর্যায়ের হুমকিতে পরিণত হয়েছে। তাই এখনই রাষ্ট্রকে নীতিগত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, তা না হলে এটি পরিণত হবে এক ‘নতুন প্রজন্মের মাদক’-এ।

প্রথমত অনলাইন গেম্বলিং প্ল্যাটফর্মগুলো শনাক্ত ও বন্ধ করার জন্য সাইবার পুলিশ ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। দ্বিতীয়ত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তে কঠোর নজরদারি দরকার। 

তৃতীয়ত ডিজিটাল জুয়া প্রতিরোধে দ্রুত ও সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো প্রণয়ন করা উচিত, যেখানে অনলাইন জুয়ার শাস্তি ও জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা থাকবে, যাতে অপরাধীরা দেশের আইন এড়িয়ে না যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তরুণদের জন্য ‘নিরাপদ ডিজিটাল বিনোদন’ নিশ্চিত করা। 

সরকার যদি অনলাইন স্পোর্টস, ই-লার্নিং বা স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ বাড়ায়, তবে তরুণরা বিনোদনের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষতাও অর্জন করতে পারবে।

স্মার্টফোন আমাদের জীবনে জ্ঞানের জানালা ও সুযোগের দরজা খুলেছে ধ্বংসের নয়। তবে প্রযুক্তি তখনই আশীর্বাদ, যখন সেটি নিয়ন্ত্রিত ও সচেতন ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ব্যবহৃত হয়। যদি আজকের তরুণরা তাদের সময়, অর্থ ও মনোযোগ অনলাইন জুয়াসহ অন্ধকার পথে নিক্ষেপ করে, তা হলে আগামী বাংলাদেশ হারাবে তার সবচেয়ে বড় সম্পদ তরুণ শক্তি। তাই এখনই সময় তরুণদের ফিরিয়ে আনতে হবে সেই আলোর পথে, যেখানে স্মার্টফোন হবে জ্ঞানের জানালা, জুয়ার নয়।

সময়ের আলো/এআর

  বিষয়:   স্মার্টফোন  সর্বনাশ  অনলাইন জুয়া  তরুণ প্রজন্ম 


Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: