শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

আজ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বিজয়ের মাত্র দুদিন আগে পরাজয় আসন্ন বুঝতে পেরে ১৯৭১ সালের এ দিন দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী

2025-12-14T00:11:20+00:00
2025-12-14T00:11:20+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১১ এএম 
রায়েরবাজার শহিদ বুদ্ধিজীবী বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ। ছবি : সংগৃহীত
আজ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বিজয়ের মাত্র দুদিন আগে পরাজয় আসন্ন বুঝতে পেরে ১৯৭১ সালের এ দিন দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামসরা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। দিবসটি আমাদের জাতীয় জীবনে এক অমোঘ স্মৃতি, যা দুঃখের গভীরতা এবং বিজয়ের আলোকে মিশে তৈরি করেছে এক অনন্য অর্থ।

১৪ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এএফএম আলিম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক জিসি দেব, ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক  
শহীদুল্লা কায়সার, সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেব, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এস এ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক ও সেলিনা পারভীন, সুরকার, সংগীতজ্ঞ আলতাফ মাহমুদ প্রমুখ।

এই হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক প্রতিশোধ নয়। বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ও আদর্শিক আঘাত। শহিদ বুদ্ধিজীবীরা শুধু পেশাগত পরিচয়ে বড় ছিলেন না। তারা ছিলেন সময়ের বিবেক। অন্যায় দেখলে প্রশ্ন তুলতেন, ক্ষমতার কাছে মাথা নত করতেন না এবং মানুষের মর্যাদাকে রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতেন। সে কারণেই তারা ভয়ংকর হয়ে উঠেছিলেন দখলদার শক্তি ও তাদের দেশীয় দোসরদের কাছে। তাই বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল মূলত একটি ভবিষ্যৎ হত্যার চেষ্টা, যাতে স্বাধীন বাংলাদেশ চিন্তা করতে না পারে, নিজেকে নতুন করে কল্পনা করতে না পারে।

স্বাধীনতার দীর্ঘ পথচলার পর আজ আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করছি, যখন জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান রাষ্ট্র ও সমাজকে নতুন করে নাড়া দিয়েছে। এই গণআন্দোলন আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ, বঞ্চনা ও প্রশ্ন একসময় বিস্ফোরিত হয়। তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই অভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার কাঠামো নয়, বরং প্রচলিত বয়ান, ভয়ের সংস্কৃতি ও নীরব সম্মতির রাজনীতিকেও চ্যালেঞ্জ করেছে। এই বাস্তবতায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য নতুন মাত্রা পায়।

একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আজ সামনে আসে যে, এই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে এবং পরবর্তী সময়ে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের অবস্থান কোন বিন্দুতে? কারা মানুষের পাশে থেকেছেন, কারা নীরব থেকেছেন, আর কারা ক্ষমতার ভাষাকে যুক্তি দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন? শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করার অর্থ কেবল তাদের হত্যা নিয়ে আবেগ প্রকাশ নয়। বরং তাদের আদর্শের আলোকে বর্তমানের বুদ্ধিবৃত্তিক ভূমিকা যাচাই করা। বুদ্ধিজীবী হওয়া মানে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে বিশ্লেষণ করা নয়। বরং ঝুঁকি নিয়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্র শুধু প্রতিষ্ঠান দিয়ে চলে না। রাষ্ট্র চলে মানুষের আশা, ন্যায়বোধ ও চিন্তার শক্তিতে। যদি এই শক্তিকে দমিয়ে রাখা হয়, যদি প্রশ্ন করাকে অপরাধ বানানো হয়, তা হলে যেকোনো উন্নয়নই শেষ পর্যন্ত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ’৭১-এ শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে যে শূন্যতা তৈরি হয়, তার ছায়া আমরা আজও অনুভব করি। বিশেষ করে যখন মত প্রকাশ সংকুচিত হয়, ভিন্নমতকে দেশদ্রোহ হিসেবে দেখা হয়। তবু সম্ভাবনার জায়গাটিও এখানেই। 

গণঅভ্যুত্থান দেখিয়েছে, নতুন প্রজন্ম প্রশ্ন করতে জানে, ভয় ভাঙতে পারে এবং ইতিহাসকে যথাযথভাবে বিনির্মাণ করতে চায়। যদি এই শক্তির সঙ্গে দায়িত্বশীল, সৎ ও মানবিক বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্ব যুক্ত হতে পারে, তবে বাংলাদেশ নতুন করে নিজেকে ভাবতে পারবে।শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ মানে কেবল স্বাধীন ভূখণ্ড নয়। বাংলাদেশ এমন একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র হবে যেখানে সত্য বলা যায়, ভিন্নমত নিরাপদ, আর মানুষের মর্যাদা অখণ্ড।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস তাই আজ আমাদের কাছে একটি প্রশ্নই ছুড়ে দেয়, আমরা কি এমন বাংলাদেশ গড়তে পারছি, যার জন্য বুদ্ধিজীবীরা প্রাণ দিয়েছিলেন? জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ তখনই অর্থবহ হবে, যখন আমরা ইতিহাস থেকে সাহস নেব, নীরবতা ভাঙব এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, চিন্তাশীল ও মানবিক বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাব।

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের জাতীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করতে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। এর বাইরে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির পৃথক বাণী দিয়েছেন।

শনিবার রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেছেন, ১৪ ডিসেম্বর, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক শোকাবহ দিন। ১৯৭১ সালের এ দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের দোসররা নৃশংসভাবে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি সেইসব সূর্যসন্তান ও শহিদ বুদ্ধিজীবীকে, যাদের আত্মদান আমাদের মুক্তির সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছে। আমি তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করছি। 
তিনি আরও বলেন, শহিদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে বলে আমি মনে করি।

শহিদ বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে শনিবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ড. ইউনূস তার বাণীতে বলেন, শহিদ বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা। শহিদ বুদ্ধিজীবীরা স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি গণতান্ত্রিক উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার। তিনি বলেন, বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনির মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। যুদ্ধকালীন সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে জাতিকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিতেও তাদের ছিল অসামান্য ভূমিকা।

শনিবার শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পার হলেও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের পর আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং বহু পথ ও মতের রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলেই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ বাস্তবায়িত হবে। 

তিনি বলেন, গণতন্ত্র বারবার মৃত্যুকূপে পতিত হয়েছে। একদলীয় দুঃশাসনের বাতাবরণ তৈরি করে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ প্রতিহত করা হয়েছে। অনেক রক্ত ঝরলেও মতপ্রকাশ, লেখা ও বলার স্বাধীনতা সংকটের দুর্বিপাক থেকে আজও মুক্ত হতে পারেনি।

যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং মহান বিজয় দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ এবং ১৬ ডিসেম্বর ‘মহান বিজয় দিবস’। আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ এই দুটি দিন। জাতির ইতিহাসে দিবস দুটি আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও গৌরবের চিরন্তন স্মারক। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য যারা নিজেদের অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেসব শহিদ বুদ্ধিজীবী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে তাদের সবার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।

অন্যদিকে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। এ ছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। দিবসটি উপলক্ষে সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে।

যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের লক্ষ্যে প্রস্তুত রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার শহিদ বুদ্ধিজীবী বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ। সারা বছর অনেকটা অবহেলায় পড়ে থাকলেও ১৪ ডিসেম্বরের আগে সাজিয়ে-গুছিয়ে প্রস্তুত করা হয় শহিদ বুদ্ধিজীবী বধ্যভূমি। 

শনিবার বধ্যভূমিতে দেখা গেছে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে। শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে প্রবেশপথ ধুয়ে-মুছে সাফ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্কার ও মেরামতের কাজও চলছে। মূল ফটকে রং করা হচ্ছে, স্তম্ভের বিভিন্ন স্থানে সৌন্দর্যবর্ধনে ঘাস লাগানো হচ্ছে। কয়েকজন নারী-পুরুষ একসঙ্গে কাজ করছেন। দিবসটি ঘিরে এরইমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ সকাল ৭টা ৬ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে শহিদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যরা এবং যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকালে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। 

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দলটির ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিন সকাল ৯টায় বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। এ ছাড়াও আজ দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দলের উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

/এমএইচআর 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: