বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ : এক কলঙ্কজনক অধ্যায়

ড. মো. আনোয়ার হোসেন

সম্পাদকীয়

প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের মাধ্যমে জাতি গভীর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করে। এই দিনটি আমাদের শোকের পাশাপাশি

2025-12-14T04:00:28+00:00
2025-12-14T04:00:28+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সম্পাদকীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ : এক কলঙ্কজনক অধ্যায়
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস
ড. মো. আনোয়ার হোসেন
প্রকাশ: রোববার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:০০ এএম 
ফাইল ছবি
প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের মাধ্যমে জাতি গভীর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করে। এই দিনটি আমাদের শোকের পাশাপাশি প্রতিবাদের ভাষা মনে করিয়ে দেয়। এই হত্যাযজ্ঞ প্রমাণ করে যে, পরাজিত শক্তি কতটা হীন ও কাপুরুষ হতে পারে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি আমাদের জাতীয় জীবনের এক চিরন্তন হাহাকার। এই শোকাবহ স্মৃতি বাঙালি জাতিকে চিরকাল বহন করতে হবে। তাদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা জোগায় একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার, যে স্বপ্ন তারা দেখেছিলেন। এই হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের এক জ্বলন্ত উদাহরণ।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসররা (রাজাকার, আলবদর, আলশামস) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ এবং এর আশপাশের দিনগুলোতে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের ওপর যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া একটি জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই ঘটনা কেবল একটি হত্যাকাণ্ড ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার এক জঘন্য প্রচেষ্টা।

চলতি বছর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসটি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আবহে পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্তরের জনগণ শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। সামগ্রিকভাবে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধের গতি-প্রকৃতি পাল্টে যেতে থাকে। মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে পাকিস্তানি সেনারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। ঢাকা পতন ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও তাদের স্থানীয় সহযোগীরা বুঝতে পেরেছিল যে, তাদের পরাজয় অনিবার্য। তখনই তারা জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করে। ১৪ ডিসেম্বর, বিজয়ের মাত্র দুদিন আগে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা বেছে বেছে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং চরম নৃশংসতার এক নজিরবিহীন উদাহরণ।

বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মূল কারণ ও উদ্দেশ্যগুলো ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী এবং শয়তানি বুদ্ধির পরিচায়ক। তারা জানত যে, একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষিত, মেধাবী ও চিন্তাশীল মানুষেরা। তাই তারা এমন একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে, যা স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে চিরতরে থামিয়ে দিতে পারে। তাদের লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট: নতুন রাষ্ট্র যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য এর বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিতে হবে। প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া একটি জাতির মনন, চিন্তা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাকে চিরতরে বিলীন করে দেওয়া। তারা বিশ্বাস করত যে, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিল্পীরাই হলেন সমাজের চালিকাশক্তি এবং ভবিষ্যৎ স্থপতি। এদের সরিয়ে দিলে বাঙালি জাতি পঙ্গু হয়ে যাবে।

এই নৃশংসতার মাধ্যমে তারা বাকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে চরম ভীতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, যাতে স্বাধীনতা লাভের আনন্দ ম্লান হয়ে যায় এবং জাতি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তারা বাঙালির জাতিসত্তা গঠনে কাজ করেছেন। পাকিস্তানিরা এই সাংস্কৃতিক জাগরণকে ভয় পেত এবং এই হত্যাকাণ্ড ছিল সেই জাগরণকে স্তব্ধ করার শেষ চেষ্টা।

নৃশংসতার বিবরণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর জেনারেল রাও ফরমান আলি এবং তার নির্দেশে গঠিত ঘাতক দল-আলবদর ও আলশামস। ছাত্র সংঘের সদস্যদের নিয়ে গঠিত এই বাহিনীগুলো ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। ঘাতকরা ১০ ডিসেম্বর থেকেই তালিকা ধরে বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তুলে আনতে শুরু করে। তবে নৃশংসতা চূড়ান্ত রূপ নেয় ১৪ ডিসেম্বর।

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক, আলবদর সদস্যরা রাতের অন্ধকারে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে অধ্যাপক, ডাক্তার, সাংবাদিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে আসে। এই কাজে তারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দোসরদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তালিকা ব্যবহার করে।

অপহৃতদের নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার বিভিন্ন নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমিতে। প্রধান বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে রায়েরবাজার বধ্যভূমি এবং মিরপুর ছিল উল্লেখযোগ্য। এখানে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের ওপর। হাত-পা বেঁধে, চোখ উপড়ে ফেলে, বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে এবং গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। হত্যাকাণ্ড শেষে মৃতদেহগুলো শনাক্তকরণের অযোগ্য করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। অনেক লাশ মাটিচাপা দেওয়া হয় গণকবরে, যাতে তাদের কোনো চিহ্ন না থাকে।

বিজয় অর্জনের পর, ১৭ ডিসেম্বর সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফাররা যখন রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পৌছান, তখন তারা যে দৃশ্য দেখেন তা ছিল অবর্ণনীয়। ইটের ভাটার পাশে স্তূপীকৃত লাশ, চোখ বাঁধা, দেহে নির্যাতনের স্পষ্ট চিহ্ন। সেই দৃশ্য দেখে বিশ্ববাসী হতবাক হয়ে গিয়েছিল।

কিছু নাম, হাজারো ত্যাগ : এই হত্যাযজ্ঞে আমরা হারিয়েছি আমাদের উজ্জ্বলতম মননগুলোকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষাবিদ ৯৯১ জন (বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুল শিক্ষক) : অধ্যাপক মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান, অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব (জিসি দেব), অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা। চিকিৎসক ৪৯ জন : ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. আবদুল আলীম চৌধুরী। সাংবাদিক (১৩ জন) : শহীদ সাবের, সিরাজুদ্দীন হোসেন, নিজাম উদ্দিন আহমেদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা। সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রকৌশলী (১৬ জন) : সেলিনা পারভীন, আলতাফ মাহমুদ।

এই নামগুলো কেবল হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শহিদদের প্রকৃত সংখ্যা আজও নিরূপণ করা কঠিন, বিভিন্ন প্রামাণ্য দলিল ও বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ১৯৭১ সালে নিহত বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা আনুমানিক ১ হাজার ১১১ জন। উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলির ডায়েরিতে প্রায় ৩ হাজার বুদ্ধিজীবীর একটি হিটলিস্ট পাওয়া গিয়েছিল বলে জানা যায়।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রামাণ্য বই এবং সরকারি নথিপত্র রয়েছে। প্রতিটি বইতে একটি বিষয় সুস্পষ্ট ছিল যে, এই হত্যাকাণ্ড ছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের জীবন, কর্ম এবং হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিম্নলিখিত প্রামাণ্য বইগুলো সহায়ক :
স্মৃতি ১৯৭১ (ধারাবাহিক)-রশীদ হায়দার। গণহত্যা ও বিশ্ব জনমত ফজলুল কাদের। মিডনাইট ম্যাসাকার ইন ঢাকা সুখরঞ্জন দাশগুপ্তের। রাইফেল, রোটি, আওরাত শহিদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা। দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম নিক্সন, কিসিঞ্জার। আ ফরগটেন জেনোসাইড গ্যারি জে ব্যাস। ১৯৭১ গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্ট থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বই ও গবেষণা প্রবন্ধ। একাত্তরের ডায়েরি সুফিয়া কামাল। এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ‘ÔRecognising the 1971 Bangladesh Genocide’ এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর থেকে প্রকাশিত অন্যান্য প্রকাশনাগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তি ও কবি-সাহিত্যিকদের মন্তব্য, কবিতা ও বক্তব্য থেকে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকারীদের নৃশংসতা এবং এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও বিচারের দাবি ফুটে ওঠে। এই উক্তিগুলো মূলত হত্যাকারীদের ঘৃণ্য পরিকল্পনা, তাদের প্রতি ঘৃণা এবং শহিদদের আত্মত্যাগের মহিমা প্রকাশ করে। শহিদ বুদ্ধিজীবী এবং সব বুদ্ধিজীবীদের বিষয়ে বিখ্যাত ব্যক্তি, কবি ও সাহিত্যিকদের কিছু উক্তি এখানে দেওয়া হলো

শামসুর রাহমান (কবি) ‘আজ এখানে দাঁড়িয়ে এই রক্ত গোধূলিতে অভিশাপ দিচ্ছি, মগজের কোষে কোষে যারা পুঁতেছিল আমাদেরই আপনজনের লাশ, আমি তো তাদের জন্য সহজ মৃত্যু করি না কামনা।’ তিনি তার ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ কবিতায় শহিদ মুনীর চৌধুরী এবং অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের কথা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন। 
শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে প্রায়শই কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার লাইনটি উচ্চারিত হয় : ‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই’।

তাজউদ্দীন আহমদ তিনিই প্রথম ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন এবং এই হত্যাযজ্ঞকে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার একটি পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেন। শহীদুল্লা কায়সার তিনি তার স্ত্রী পান্না কায়সারকে লেখা শেষ চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমার ছেলেমেয়েগুলোকে তুমি যত্নে রেখো। আমি জানি, তুমি পারবে। তুমি ভালো থেকো। আমি কখনো কোথাও তোমার কাছ থেকে হারিয়ে যাবো না’।

জহির রায়হান তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও দেশীয় দোসরদের মুখোশ উন্মোচনের চেষ্টা করেছিলেন। এই বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক ‘স্টপ জেনোসাইড’ ছবিটি নির্মাণের মাধ্যমে গণহত্যার প্রতিবাদ করেছিলেন এবং ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে নিজেই নিখোঁজ হন। এডওয়ার্ড ডব্লিউ সাইদ  (আমেরিকান তাত্ত্বিক শিক্ষাবিদ) বুদ্ধিজীবী প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘বুদ্ধিজীবী ছাড়া যেমন বড় ধরনের কোনো বিপ্লব সম্ভব নয়, তেমনই বুদ্ধিজীবীরা সমাজের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন’।
মোহাম্মদ আলী (মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী) তিনি দুরাগ নদীর পাড়ের এক ভয়াবহ স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘যুদ্ধের সময় এমন একটি রাত আমার মনে পড়ে না যখন সামরিক বাহিনী সেই সেতুতে লোক হত্যা করেনি’।

এই উক্তি ও লেখনীর মাধ্যমে কবি-সাহিত্যিকরা হত্যাকারীদের প্রতি ঘৃণা ও শহিদদের আত্মত্যাগের মহিমা তুলে ধরেছেন। এই উক্তি ও মন্তব্যগুলো কেবল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং হত্যাকারীদের নৃশংসতার বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা এবং বিচারের দাবির বহিঃপ্রকাশ। ১৪ ডিসেম্বরের এই ঘটনা বাঙালির হৃদয়ে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। এই হত্যাকাণ্ড ছিল সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। যে মেধাবীরা স্বাধীন দেশে শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিতেন, তারা নির্মমভাবে ঝরে গেলেন।


Loading...
Loading...
সম্পাদকীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: