দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে ‘অন্তত চার থেকে পাঁচ বছর’ সময় লাগে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পাচার হওয়া টাকা বিদেশ থেকে ফেরত আনার বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, ‘এ বিষয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।’
আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, ‘অর্থ ফেরত আনতে অনেক মামলা হয়েছে। বাকিগুলো আবেদনের ওপর নির্ভর করে।’
এ সময় এস আলমের বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘ওয়াশিংটনে এস আলম আরবিট্রেশন ফাইল মিউটেশন করেছে। মামলাটা লড়া হবে।’
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সাইফুজ্জামানের (সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ) মামলাটা যদি রিজলভ হয়ে যায়, ওটা তো তারা কন্টেস্ট করে নাই। প্রথম মামলায় তো তারা হেরেই গেছে। সেখানে আমাদের তো ইসলামী ব্যাংক এবং ইউসিবিএল ক্লেইম বসিয়েছে। ওই ক্লেইমের হয়তো কিছু টাকা আসতেও পারে।’
তবে সেটি কবে আসবে তাও ‘অজানা’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু সেটা কবে আসবে, ফেব্রুয়ারির আগে আসবে বা এপ্রিল, জুন, জুলাই, অগাস্টে আসবে, আমরা তো সেটা জানি না।’
সময়ের আলো/এনএ