মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের লক্ষ্যে হাদির মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে। সেখানে নিয়ে ময়নাতদন্ত কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
শনিবার সকালে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘর থেকে তার মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নিরাপত্তা দিতে দেখা গেছে।
সূত্র জানায়, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-শ ১১-৪৯৫৪) ব্যবহার করে ওসমান হাদির মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পৌঁছানো হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ আবারও আগের স্থানে, অর্থাৎ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
জানা গেছে, ময়নাতদন্ত শেষে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘর থেকে সহযোদ্ধা ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে মিছিলসহ ওসমান হাদির মরদেহ নেওয়া হবে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। এরপর দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার কফিন দেশে পৌঁছায়। এরপর মরদেহ সংরক্ষণের জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরে রাখা হয়।
শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সহযোদ্ধা ও সমর্থকরা দ্রুত বিচার এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।