বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ব্যবহারিক চাহিদা নির্ধারণ

এস. এম. শাওন মাহমুদ এফসিএমএ

বিদ্যুৎ ও গ্যাস আধুনিক জীবনের অন্যতম মৌলিক পরিষেবা। রাষ্ট্রের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো এসব মৌলিক ইউটিলিটি সেবা সাধারণ মানুষের

2026-01-05T05:55:23+00:00
2026-01-05T05:55:23+00:00
 
  বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬,
৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ব্যবহারিক চাহিদা নির্ধারণ
গণশুনানির নামে প্রহসন
এস. এম. শাওন মাহমুদ এফসিএমএ
প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৫ এএম   (ভিজিট : ২৭৫)
গ্রাফিক : সময়ের আলো
বিদ্যুৎ ও গ্যাস আধুনিক জীবনের অন্যতম মৌলিক পরিষেবা। রাষ্ট্রের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো এসব মৌলিক ইউটিলিটি সেবা সাধারণ মানুষের কাছে যুক্তিসংগত ও গ্রহণযোগ্য মূল্যে পৌঁছে দেওয়া। 

চালিকাশক্তি, শিল্পায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি স্তরে এই দুটি ইউটিলিটি সেবা অপরিহার্য। তাই বিদ্যুৎ ও গ্যাসকে শুধু একটি বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। সংবিধানের মূল চেতনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো নাগরিকদের জন্য ন্যায্য, সহনীয় ও নিরবচ্ছিন্ন মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা। 

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে আমরা এক ভিন্ন চিত্র প্রত্যক্ষ করছি। প্রায় নিয়মিত বিরতিতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি ভর্তুকির চাপ কিংবা আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির মতো অজুহাত দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে। এই মূল্য বৃদ্ধিকে বৈধতা দিতে আয়োজন করা হচ্ছে তথাকথিত গণশুনানি। 

প্রশ্ন হলো এই গণশুনানি কী? সত্যিকার অর্থে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটায়, নাকি এটি কেবল পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের একটি আনুষ্ঠানিক প্রহসন? উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির স্বচ্ছ প্রমাণ কোথায়?

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে যুক্তিটি উপস্থাপন করা হয়, তা হলো উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি। ওয়েবসাইটে নিরীক্ষা আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় যা ব্যয় বিশ্লেষণধর্মী নয়। ব্যয়ের যে বিশদ বিবরণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়, তা স্বাধীন নিরীক্ষক কর্তৃক যাচাইকৃত নয়, ফলে এই ব্যয় বৃদ্ধির স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও যাচাইযোগ্য হিসাব নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের রাষ্ট্রীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যয়-সংক্রান্ত তথ্য জানার অধিকার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রশ্ন উত্থাপন করা যায়, তা হলো  কতটা ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে? কোন খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হচ্ছে? অব্যবহৃত উৎপাদন ক্ষমতা ও সিস্টেম লসের দায় কে নিচ্ছে? দুর্নীতির কারণে যদি অতিরিক্ত ব্যয় হয়, তার দায় কেন জনগণ নেবে? উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ কোন স্তরে ব্যয় সবচেয়ে বেশি?

 ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পর্যায়ের সিস্টেম লসের দায় কেন ভোক্তাকে বহন করতে হবে? আমদানিকৃত জ্বালানির গুণগত মানের আদর্শ হার হিটরেট কিংবা ক্যালোরিফিক ভ্যালুর সঠিকতা যাচাই করা হয় কি না? স্বাধীন কস্ট অডিটর কর্তৃক নিরীক্ষা প্রতিবেদন কোথায়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না দিয়ে শুধু মূল্য বাড়ানো হলে সেটি হবে একতরফা চাপ প্রয়োগ, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

ব্যয় বৃদ্ধি, নাকি দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা? যদি আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের ব্যয় কাঠামো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তা হলে দেখা যায় যে তথাকথিত ব্যয় বৃদ্ধির বড় একটি অংশ প্রকৃত উৎপাদন খরচ নয়, বরং দুর্নীতি, অপচয় ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনার ফল। ব্যয় বৃদ্ধির পেছনের কারণগুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর জন্য দায়ী মূলত অব্যবহৃত উৎপাদন ক্ষমতা। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম উৎপাদন করে অথচ ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়মিত পরিশোধ করতে হয়। 

কার্যক্রম চলমান থাকুক বা না থাকুক চুক্তি অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ভাড়া গ্রহণ করে যা ক্যাপাসিটি চার্জ নামে পরিচিত। গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এই খাতে ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ অর্থবছর বিশ্লেষণে দেখা যায় এই দুই বছর বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় হয়েছে মোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। 

এর মধ্যে আইপিপি থেকে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা, আমদানি বিদ্যুৎ থেকে হয়েছে ৩৮ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী থেকে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা, সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী থেকে ব্যয় হয়েছে ২৫ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ বিভাগের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এই মোট ব্যয়ের মধ্যে ৪০ শতাংশ ক্যাপাসিটি চার্জ বিদ্যমান। তা ছাড়া শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে অর্গানোগ্রাম তৈরি করা হয়, সেই আলোকে জনবল নিয়োগসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যর্র্থতার দায়ভার জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অযৌক্তিক।

দুর্নীতিজনিত অতিরিক্ত ব্যয় : গত ১৬  সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে জানা যায় পেট্রোবাংলার কোম্পানিগুলো ও বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে লোকসান দেখিয়ে সরকারি ভর্তুকি নিচ্ছে অন্যদিকে কর্মীদের ওয়ার্কস প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড, ইনসেনটিভ বোনাস, উৎসাহ বোনাস হিসেবে কোটি কোটি টাকা বিতরণ করে এই অতিরিক্ত ব্যয় জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

এখানে লক্ষণীয় যে, পশ্চাৎভাগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সম্মুখভাগে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যমান। বিদ্যুতের দুটি মূল্য যা পাইকারি ও খুচরা নামে অভিহিত। 

একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পাইকারি মূল্যে বিক্রি করে যা উৎপাদন খরচের তুলনায় কম, বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খুচরা মূল্যে বিক্রি করে মুনাফার মাধ্যমে পরিচালনা ব্যয় ও প্রণোদনাগুলো প্রদান করে। অর্থাৎ সম্মুখভাগে মুনাফা এবং পশ্চাৎভাগে লোকসান স্থানান্তর করে একদিকে যেমন অতিরিক্ত সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তার কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে অন্যদিকে পশ্চাৎভাগের লোকসান জনগণের ওপর অতিরিক্ত কর চাপিয়ে দিয়ে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে। এই দ্বৈতনীতি স্পষ্টভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দুর্নীতিজনিত বা অযৌক্তিক ব্যয়ের দায় জনগণের ওপর চাপানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সিস্টেমলস (ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন) : ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পর্যায়ের উচ্চ সিস্টেমলস একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রযুক্তিগত সীমার বাইরে থাকা এই লসের বড় অংশই অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার ফল। এই ক্ষতির দায় ভোক্তার ওপর চাপানো অযৌক্তিক।

অদক্ষ ও অকার্যকর ব্যবস্থাপনা : রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধি ও উৎপাদন হ্রাসের দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার ব্যয় ভোক্তার ওপর চাপানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। অথচ গণশুনানিতে এসব প্রশ্ন তোলা হলেও উত্তর পাওয়া যায় না।

গণশুনানি : সুশাসনের অংশ নাকি কৌশলগত প্রহসন? বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মূল্য নির্ধারণের আগে তারা গণশুনানি করে ‘জনমত’ নেয়। কাগজে-কলমে এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হলেও বাস্তবে একতরফা যুক্তিÑ ‘ব্যয় বেড়েছে’, ‘সরকারি ভর্তুকি কমাতে হবে’ ইত্যাদি। 

শুনানি হয় ঢাকাকেন্দ্রিক, যেখানে গ্রামীণ বা প্রান্তিক জনগণের অংশগ্রহণ নেই। মূল বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মনোনীত বিশেষজ্ঞরা, যারা মূলত দাম বৃদ্ধির পক্ষে কথা বলেন। সাধারণ নাগরিকের প্রশ্ন বা আপত্তি গুরুত্ব পায় না। গণমাধ্যম উপস্থিত থাকলেও প্রকৃত প্রশ্নগুলো সামনে আসে না। ফলে গণশুনানির উদ্দেশ্য ‘গণমুখী’ হলেও বাস্তবে এটি হয়ে দাঁড়ায় একটি কৌশলগত প্রহসন।

প্রস্তাবনা : বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক ইউটিলিটি সেবার মূল্য নির্ধারণের আগে স্বাধীন নিরীক্ষক (কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এর ধারা ২২০ অনুযায়ী) ব্যয় বিবরণী দাখিল বাধ্যতামূলক এবং তা ওয়েবসাইটে প্রকাশসহ নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে

১. দুর্নীতি, অপচয় ও অদক্ষতা দূর করে খরচ কমাতে হবে। ২. তথ্যভিত্তিক ও জনমুখী উপায়ে মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ৩. মূল্য বৃদ্ধির যৌক্তিকতা সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। ৪. প্রকৃত অর্থে গণশুনানিকে ‘গণঅংশগ্রহণ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সিএমএর অন্তর্ভুক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ : দেশের ব্যয় ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত পেশাদার হিসাববিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠানটি কর্তৃক ব্যয় হিসাববিজ্ঞান মানদণ্ড জারি করা হয় এবং দি ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) কর্তৃক গৃহীত হয়। ইউটিলিটি সেবার মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন উৎপাদন কার্যক্রম বিশ্লেষণ। 

এই কার্যক্রম বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজন উচ্চস্তরের পেশাদারিত্ব যা আইসিএমএবির সদস্যরা নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে থাকেন। সে জন্য ইউটিলিটি সেবার মূল্য নির্ধারণের প্রক্রিয়াকে অধিকতর স্বচ্ছ ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি অপরিহার্য।

এর ফলে নিম্নোক্ত সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে


১. ব্যয় নিরূপণে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে। ২. জনগণ ন্যায্যমূল্যে ইউটিলিটি সেবা পাবেন, ফলে জনগণের অধিকার রক্ষা নিশ্চিত হবে। ৩. নিরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য ব্যয় উপাত্তের মাধ্যমে ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি হ্রাস পাবে। ৪. সরকার ও জনগণের মাঝে বিশ্বাস গড়ে উঠবে। ৫. নিয়মিত ব্যয় নিরীক্ষা প্রতিবেদনের সুপারিশমালা বাস্তবায়নের ফলে উৎপাদন খরচ কমবে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি :  ভারতে ইউটিলিটি সেবার মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সিএমএদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি উত্তম চর্চা।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনসেবাকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিতে দেখা যায় না। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো মৌলিক সেবার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। দাম বৃদ্ধির আগে নিজেদের ব্যয় কাঠামো, দক্ষতা ও কার্যকারিতা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা উচিত। 

তাই স্বাধীন নিরীক্ষক কর্তৃক নিরীক্ষা প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে প্রহসনের গণশুনানিকে প্রকৃত গণঅংশগ্রহণে রূপান্তর করে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করুন, জনগণের কণ্ঠস্বর প্রাধান্য দিন। 

তবেই একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক ইউটিলিটি সেবা গড়ে তোলা সম্ভব। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উচিত দাম বৃদ্ধির আগে নিজেদের ব্যয় ও কার্যকারিতা নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, গণশুনানিকে প্রকৃত অর্থেই ‘গণমুখী’ করা এবং জনগণের ওপর অকারণে আর্থিক চাপ না বাড়ানো।

সময়ের আলো/এআর

  বিষয়:   বিদ্যুৎ  গ্যাস  চাহিদা  নির্ধারণ 


Loading...
Loading...
- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: