দেশীয় কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজের স্বার্থ বিবেচনা করে ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া বন্ধ করেছে সরকার। তবে পুরোনো অনুমতি দিয়ে চলতি মাসের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিলি বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন আমদানিকারকরা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে, আমদানি না হলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়বে বলে দাবি আমদানিকারকদের।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে নতুন করে ভারত থেকে দেশে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকার। তবে পুরোনো আমদানির অনুমতির বিপরীতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১২ ট্রাকে ৩৪৪ মে. টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
জানা গেছে, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার। এতে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কমতে কমতে অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় চলে এসেছে। পাইকারি বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকায় নেমে এসেছে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
তবে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ করে দিলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে হিলি বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ২ টাকার মতো বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হক বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি একবারে বন্ধ করে দেওয়া হলে এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়বে। এতে পণ্যটির দাম আবারও বাড়বে।
এফআর