শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও উদ্যোক্তাগণের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের জীবনের বিনিময়ে অন্তর্বর্তী সরকার এসেছে সংস্কারের জন্য। আর প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে, পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে পারে। সে কারণে, সরকার গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে।
তিনি আরও বলেন, সরকার নাগরিকের সব সেবা একটি প্লাটফর্মে ডিজিটালাইজেশন করা লক্ষ্যে নাগরিক সেবা প্লট ফর্মের উদ্যোগ নিয়েছে, বর্তমানে এই পরিষেবায় ১২টি মন্ত্রণালয় যুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের সব মন্ত্রণালয় এই প্লাট ফর্মে যুক্ত হবে। ফলে একটি স্থান থেকে নাগরিকরা সব সেবা পাবে এবং এর মাধ্যমে উদ্যোক্তাও সৃষ্টি হবে।
ফায়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, সরকার জনগণের হয়রানি ও শ্রমঘণ্টা লাঘব করার জন্য নাগরিক সেবা বাংলাদেশ চালু করেছে। নাগরিক সেবার মাধ্যমে জনগণ যেন একই প্লাটফর্মে বিভিন্ন সেবা পেতে পারে সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। দেশের উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ গড়ে তোলা হচ্ছে। উদ্যোক্তারা নাগরিক সেবার প্রতি জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনের মনোবৃত্তি নিয়ে করুন।
খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এটুআই‘র প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রফিক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ। স্বাগত বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা।
প্রশিক্ষণে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার পাঁচশত উদ্যোক্তা অংশ নেন।