অবৈধভাবে দখল করা জেরুজালেমের পূর্বে অবস্থিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম (ইউএনআরডব্লিউএ) সংস্থার সদর দফতর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরের কালান্দিয়ার জাতিসংঘের একটি বৃত্তিমূলক স্কুলে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে দখলদার বাহিনী।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী এবং সরকারী কর্মকর্তারা দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জারাহ এলাকায় ইউএনআরডব্লিউএ-এর বেশ কয়েকটি ভবন ভেঙে ফেলে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
ইসরায়েল জাতিসংঘের এ সংস্থাটির বিরুদ্ধে গাজার শাসক দল হামাসকে সহযোগিতার অভিযোগ করেছে। যদিও সংস্থাটি এ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত বছর ইসরায়েল তাদের ভূখণ্ডে জাতিসংঘের এই সংস্থাটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে ইসরায়েল। এই ধ্বংসযজ্ঞ সংস্থাটির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সর্বশেষ পদক্ষেপ, যেটি লাখ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা প্রদান করতো
পশ্চিম তীরে উনরার পরিচালক রোল্যান্ড ফ্রিডরিচ বলেছেন, সংস্থাটিকে জানানো হয়েছে যে পুলিশসহ ধ্বংসকারী দলগুলো ভোরে পূর্ব জেরুজালেমের সদর দফতরে পৌঁছেছে। নিরাপত্তা হুমকি এবং উস্কানির কারণে প্রায় এক বছর ধরে এই স্থাপনাটি মূলত অব্যবহৃত ছিল, তবুও ইসরায়েলি বাহিনী প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে, সরঞ্জাম জব্দ করে এবং স্থানটি রক্ষার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের বের করে দেয়।
শেখ জাররাহ পাড়ায় অবস্থিত স্থাপনার উপরে একটি ইসরায়েলি পতাকা উত্তোলন করা দেখা গেছে। ইসরায়েলি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এটিকে ‘একটি ঐতিহাসিক দিন’ বলে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ইউএনআরডব্লিউএ ইতিমধ্যেই এই স্থানে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেখানে আর কোনো জাতিসংঘ কর্মী বা জাতিসংঘের কার্যকলাপ নেই।’
/এমএইচআর