পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে দুই কর্মকর্তা ও চার নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আটজন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বহরের সঙ্গে ‘খাওয়ারিজদের’ তীব্র গোলাগুলি হয়। এতে গুজরানওয়ালার ২৩ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন আবুজার ফারুক এবং চকওয়ালের ২২ বছর বয়সী লেফটেন্যান্ট শেরাজ বাবর নিহত হন।
আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই কর্মকর্তা সামনে থেকে তাদের সদস্যদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তারা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে প্রাণ দেন এবং তাদের সঙ্গে আরও চার নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন।
অন্যদিকে, নিজেদের সেনাদের কার্যকর পাল্টা হামলায় ‘ভারত-সমর্থিত ফিতনা আল খাওয়ারিজ’-এর আট সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইএসপিআর।
পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) বোঝাতে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, এলাকায় আরও কোনো সন্ত্রাসী অবস্থান করছে কি না এবং তাদের নির্মূল করতে সেখানে ‘স্যানিটাইজেশন অপারেশন’ বা অভিযান চালানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় কর্মপরিকল্পনার ফেডারেল অ্যাপেক্স কমিটির অনুমোদিত ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ পরিকল্পনার অধীনে নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর চলমান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে। দেশের অভ্যন্তর থেকে বিদেশি মদদপুষ্ট ও সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের হুমকি নির্মূল করাই এর লক্ষ্য বলে জানানো হয়।
আইএসপিআর বলেছে, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণ দেওয়া সাহসী সেনাদের এই আত্মত্যাগ যেকোনো মূল্যে জাতিকে রক্ষার বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করেছে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ