ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ‘সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে’ রয়েছেন এবং সামনে ‘খুব বড় কিছু’ ঘটতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজের প্রতিবেদক ট্রে ইয়িংস্টের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ইরানকে ‘আচরণ ঠিক রাখার’ সতর্কবার্তা দেন। একই সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়ে তিনি ‘সম্ভবত আগ্রহী’ বলে জানান।
ট্রাম্প বলেন, ইরানকে নিয়ে তার সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে— তাদের ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া’, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া, অথবা একটি চুক্তিতে পৌঁছানো।
ইয়িংস্টের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমার প্রশ্ন হলো, কখন এবং যদি প্রয়োজন হয়, আমি পুরো জাতিকে ধ্বংস করে দেব?’ একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, ‘তাদের আচরণ ঠিক রাখতে হবে।’
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প জানান, তিনি বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্ভবত আগ্রহী।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনাপূর্ণ অচলাবস্থা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানে হামলা চালানোর প্রায় সাত মাস পরও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রোববার জানান, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়ে তেহরানের শর্তগুলো মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের সময় ইরান প্রণালিটি অবরোধের চেষ্টা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা শনিবার জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগর থেকে তেল, গ্যাস ও পণ্য পরিবহনের পরিমাণ গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ