এক বোতল পানির দাম কত হতে পারে? প্রশ্নের চেয়েও উত্তর সহজ মনে হচ্ছে তাইতো? কিন্তু এক ঢোক পানির দাম শুনে যদি চোখ কপালে উঠে, তাহলে নিশ্চয়ই কৌতূহল ও বিস্ময় জন্ম নেয়াটাই স্বাভাবিক। তাহলে জেনে নেয়া যাক, ২০১০ সালে গিনেজ ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডে জায়গা করে নেয়া সেই পানির রহস্য।
ছোটবেলায় ভাবসম্প্রসারণে আমরা পড়েছি, পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু নীতা আম্বানির ক্ষেত্রেও কী পানির অপর নাম জীবন? হয়তো জীবনই! কিন্তু মুম্বাইয়ের ‘অ্যান্টিলিয়া’ ভবনের ৭৫০ মিলিলিটার পানির বোতলের দাম যদি প্রায় ৬০ হাজার ডলার বা ৪৪ লাখ টাকা হয় তাহলে বুঝে নিন নীতার দৈনন্দিন যাপনে কেমন খরচ হতে পারে! যেখানে আমরা চৈত্রের দুপুরে, রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে ১০ টাকার লেবু শরবতে তৃষ্ণা মেটাই, সেখানে এক ঢোক পানির মূল্য প্রায় ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা!
নীতা যে পানি পান করেন তার নাম ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মদিগ্লিয়ানি’। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানির একটি। হয়তো পানির নামের মতোই দীর্ঘ ক্লান্তিকর আমাদের সাধারণের জীবন, কিন্তু স্বাস্থ্যকে তরতাজা রাখতে এই পানিই পান করেন নীতা আম্বানি।
আরও পড়ুন
ফ্রান্স এবং ফিজির ঝরনা থেকে সংগ্রহ করা এই পানি ২৪ ক্যারেট সোনার তৈরি বোতলে সংরক্ষিত থাকে। এই পানির সবচেয়ে বড় 'টুইস্ট' হলো এর উপাদান। দাবি করা হয়, এই পানিতে মেশানো থাকে ৫ গ্রাম স্বর্ণভস্ম। যা মানবদেহের জন্যে খুবই স্বাস্থ্যকর। এজন্যেই এই পানির দাম লাখ লাখ টাকা।
জানা যায়, এই বোতলের নকশা তৈরি করেছিলেন প্রখ্যাত মেক্সিকান চিকিৎসক, উদ্ভিদবিদ এবং প্রকৃতিবিদ ফার্নান্দো আলতামিরানো। তিনি প্রধানত বিশ্বের সবচেয়ে দামী বোতলজাত পানি ও প্রিমিয়াম টাকিলা বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত।
এএডি/