বন্দর ব্যবস্থাপনার টেকসই আধুনিকায়ন

রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশের উদয় ঘটেছে, তাকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও বৈশ্বিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে

2026-01-29T04:30:01+00:00
2026-01-29T04:30:01+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
বন্দর ব্যবস্থাপনার টেকসই আধুনিকায়ন
রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩০ এএম   (ভিজিট : ২৯৭)
গ্রাফিক : সময়ের আলো
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশের উদয় ঘটেছে, তাকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও বৈশ্বিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই অভিযাত্রায় সরকারের অর্থনৈতিক রূপান্তর পরিকল্পনায় মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মেরিটাইম খাতের উন্নয়ন, যার কেন্দ্রে রয়েছে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রাণভোমরা চট্টগ্রাম বন্দর। এ ক্ষেত্রে সরকার যেসব বিবেচনাপ্রসূত পরিবর্তনমূলক সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে আমি সেগুলোকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ৯২ শতাংশের বেশি পণ্য পরিবহন হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। সুতরাং দেশের বাণিজ্যের চাকা সচল রাখার স্বার্থেই আমাদের উদ্দিষ্ট বাজার-গ্রাহকের কাছে পণ্য দ্রুততম সময়ে পৌঁছে দিতে হবে। আর এই বাস্তবতা বন্দর আধুনিকায়নকে সময়ের চাহিদায় পরিণত করেছে। আমি নিশ্চিত, এ বিষয়ে সবাই দ্ব্যর্থহীনভাবে একমত পোষণ করবেন। অর্থাৎ বন্দর সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমাদের মনে কোনো প্রশ্ন থাকার কথা নয়। বরং প্রশ্ন উঠতে পারেÑ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা কোন পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হলে তা সবচেয়ে কার্যকর, টেকসই ও কৌশলগতভাবে লাভজনক হবে?

প্রাতিষ্ঠানিক ঋণনির্ভর অর্থায়ন বন্দর অবকাঠামো সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে বটে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় কিছু প্রাসঙ্গিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর পরিবর্তে যদি কনসেশন মডেলের মাধ্যমে বন্দরে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনা যায়, তা হলে অর্থায়নের বিষয়ে একটি কৌশলগত দিক থেকে লাভজনক সমাধান পাওয়া যায়। এই পদ্ধতি বন্দরের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে, পরিচালন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ায় এবং রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ঋণদায়ের চাপ কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে। টেকসই উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য এটিই সেরা সমাধান হিসেবে অবিসংবাদিতভাবে স্বীকার্য।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এটি স্পষ্ট যে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) এবং আন্তঃসরকার (জি-টু-জি) আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতনামা অপারেটরদের অনুকূলে দেওয়া কনসেশনগুলো প্রচলিত ওপেন টেন্ডার পদ্ধতির তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। এই কাঠামো কোনো ব্যক্তিগত পছন্দ বা মতামতের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং তা বাস্তব প্রমাণ, অভিজ্ঞতা, পিপিপি কাঠামোর নীতি ও বিদেশি অপারেটর নিয়োগের জন্য প্রণীত বিধিবিধানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তাত্ত্বিকভাবে ওপেন টেন্ডারিংয়ের লক্ষ্য হলো স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্য পাওয়া। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, এই পদ্ধতি প্রায়ই আন্তর্জাতিক মান, সর্বোত্তম চর্চার মানদণ্ড এবং অপরিহার্য কমপ্লায়েন্স শর্ত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। পিপিপি আইনে কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই, আলোচনা ও ঝুঁকি বণ্টনের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ওপেন টেন্ডার বরাবরই এই সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। পিপিপি আইন অনুযায়ী একটি প্রকল্পের আর্থিক, আইনি, বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বাধ্যতামূলক। নিট প্রেজেন্ট ভ্যালু (এনপিভি) ১-এর বেশি না হলে সেই প্রকল্প নিয়ে অগ্রসর হওয়ার অনুমতি মেলে না। এটি কোনো প্রশাসনিক জটিলতা নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার জন্য একটি সুশৃঙ্খল আর্থিক নিরাপত্তাব্যবস্থা।

ওপেন টেন্ডারিংয়ে প্রায়ই সর্বনিম্ন দরদাতা অথবা সর্বোচ্চ মুনাফাদাতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদে টেকসই উন্নয়ন উপেক্ষিত থেকে যায়। এতে নিম্নমানের সামুদ্রিক অবকাঠামো, পরিচালন বিলম্ব এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই মডেলে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিনিয়োগ, বিশেষায়িত প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি মূলধন প্রতিশ্রুতি থাকে না। যেকোনো নতুন বন্দর অবকাঠামো (গ্রিনফিল্ড পোর্ট) প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অপারেটর আকর্ষণ করতে হলে প্রকল্পের শুরু থেকেই বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত করা অপরিহার্য। 

আর এই মান নিশ্চিত করা যায় কেবল পিপিপি ও জি-টু-জি কাঠামোর আওতায় নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কনসেশন চুক্তির মাধ্যমে। এর মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়ার কাঠামোতে যে ঝুঁকি রয়েছে, তা দূর হয়। পাশাপাশি টেকসই বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ, মেরিটাইমবিষয়ক বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবীর সম্পৃক্ততা ও আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার সুযোগ তৈরি হয়, যেগুলো সম্মিলিতভাবে পরিচালন কার্যদক্ষতা এমনভাবে বাড়িয়ে দেয়, যা ওপেন টেন্ডারিং কাঠামোর মাধ্যমে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাওয়া যায় না।

পিপিপি ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হলো স্পেশাল পারপাস কোম্পানি (এসপিসি) মডেল, যেখানে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও গভীর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রতিটি কনসেশন প্রক্রিয়াকে সুরক্ষা দেওয়া হয়। এই বিনিয়োগ থেকে কী পরিমাণ আয় হবে (রেট অব রিটার্ন) তা সমীক্ষার সময় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা হয়। ফলে অনুমানভিত্তিক অথবা স্বল্পদৃষ্টিসম্পন্ন বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকা সম্ভব হয়। আইনি পর্যালোচনা দেশীয় আইন ও প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক সনদগুলোর (কনভেনশন) সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য নিশ্চিত করে। 

বাণিজ্যিক সমীক্ষা প্রকৃত বাণিজ্য প্রবাহ ও সক্ষমতা পরিকল্পনাকে সঙ্গতিপূর্ণ করে তোলে এবং পরিবেশগত মূল্যায়ন বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয় প্রতিরোধ ও কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে সহায়তা করে। এই সমন্বয় পিপিপি ব্যবস্থার কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। একটি বন্দর প্রকল্পে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় কিছু অগ্রাধিকারমূলক স্বার্থ থাকে, তেমনি অন্যদিকে থাকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কিছু নিশ্চয়তার দাবি। পিপিপি কাঠামো এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। এতে আলোচনা হয় কাঠামোবদ্ধ ও পরিকল্পিতভাবে কোনো তাড়াহুড়া বা খাপছাড়াভাবে নয়। এর লক্ষ্য থাকে এমন রাজস্ব হিস্যা কাঠামো তৈরি করা, যা উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক হবে। এতে বাংলাদেশ পাবে নির্ভরযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি আয়ের প্রবাহ আর অপারেটররা পাবে স্থিতিশীল মুনাফা নিশ্চিত করার অনুকূল পরিবেশ।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালিত হয় ‘ল্যান্ডলর্ড পোর্ট’ মডেলে। এই মডেলটিই কনসেশন পদ্ধতিকে আরও শক্তিশালী করে। এই ব্যবস্থায় জমি ও মূল অবকাঠামোর মালিকানা বন্দরের হাতেই থাকে। বিদেশি অপারেটররা কেবল বিল্ড-অপারেট-ট্রান্সফার কনসেশনের আওতায় বিনিয়োগ ও পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর আর্থিক সুবিধা অত্যন্ত স্পষ্টÑ কোনো দায় নেই, কোনো ঋণের বোঝা নেই। বরং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী নিশ্চিত আয়। কনসেশন মেয়াদ শেষে সম্পদগুলো আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উন্নীতকরণ ও পরিচালনার অভিজ্ঞতা সহকারে আমাদের কাছে ফিরে আসে।

খ্যাতনামা অপারেটরদের সম্পৃক্ততার সুফল তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান। বাংলাদেশের আমদানি ও রফতানি বাণিজ্য ১০ শতাংশের বেশি হারে বাড়ছে। সুতরাং চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। দক্ষ বন্দর ব্যবস্থাপনা কার্গোর অবস্থানকাল কমায় এবং লজিস্টিকস ব্যয় হ্রাস করে, যা অল্প মুনাফায় পরিচালিত পোশাক রফতানিকারকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিয়েতনামের গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদেশি টার্মিনাল অপারেটররা টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ১১ দিন কমিয়ে বাজারে পণ্য পৌঁছানোর গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ভিয়েতনাম এখন উচ্চমানের ইলেকট্রনিকস পণ্যের বাজারে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। 

প্রতিযোগী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকেও কেবল মৌলিক পোশাক উৎপাদন থেকে সরে এসে হাই-ভ্যালু ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের দিকে নজর দিতে হবে। আর তার জন্য বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের রফতানিমুখী উৎপাদন খাতে এই রূপান্তর আনা সম্ভব হলে চট্টগ্রাম বন্দরেও উত্তম চর্চার বৈশ্বিক ধারার সূচনা হবে এবং ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার দিক থেকেও অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে।

প্রতিটি বন্দর কনসেশন দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এফডিআইয়ের সংস্থান করে, যা জাতীয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করে এবং অর্থনৈতিক আস্থা শক্তিশালী হওয়ার বার্তা দেয়। এই বিদেশি বিনিয়োগ টার্মিনাল পরিচালনা কার্যক্রমকে বৈশ্বিক মানে নিয়ে যায় এবং একই সঙ্গে সহায়ক অবকাঠামো (যেমন লজিস্টিক পার্ক) উন্নয়ন ও সমন্বয়ের (শিল্প ও শিক্ষা খাত) মাধ্যমে স্থানীয় মানবসম্পদ উন্নতি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

কলম্বো বন্দর, সিঙ্গাপুর বন্দর ও পোর্ট ক্লাংয়ের মতো দ্রুত অগ্রসরমাণ বন্দরের সঙ্গে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এ পথই সবচেয়ে কার্যকর। পিপিপি কনসেশনের মাধ্যমে যে আয় হয়, তা স্থিতিশীল ও পূর্বনির্ধারিত। এ ধরনের অংশীদারত্ব অন্যান্য খাতের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও আস্থার বার্তা পৌঁছে দেয়। বন্দরে বিদেশি অপারেটর আসার অর্থ হলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ছাড়া এর মাধ্যমে ফিডার সার্ভিস ও অন্যান্য শিপিং সার্ভিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যার ফলে আন্তর্জাতিক সংযোগ আরও সংহত হয়। বৈশ্বিক সমুদ্র বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে ওঠার লক্ষ্য পূরণে বিষয়টি আমাদের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিদ্যমান পিপিপি আইন ও বিদেশি অপারেটর নিয়োগের ফ্রেমওয়ার্ক কনসেশনের ক্ষেত্রে আমাদের সুবিধাজনক অবস্থানের সপক্ষেই কথা বলে। এনপিভি ১-এর বেশি থাকার বাধ্যবাধকতা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধে একটি সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। আলোচনার প্রক্রিয়া, মূলধন সরবরাহ ও ঝুঁকি বণ্টনের বিষয়ে আইনের বিস্তারিত বিধান এমন নিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করে, যা ওপেন টেন্ডারিং কাঠামোর মাধ্যমে কখনোই সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের সামুদ্রিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আমরা এখন কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তার ওপর। পিপিপি ও জি-টু-জি কনসেশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের বন্দরকে বিশ্বমানের উপযোগী করে গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক দক্ষতায় পরিচালনা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে পূর্ণ সংযোগ নিশ্চিত করতে পারি। আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারি, আমাদের কর্মশক্তির দক্ষতা বাড়াতে পারি, ব্যয় সংকোচন করতে পারি এবং কোনো দায় না নিয়েই রাজস্ব আয় করতে পারি। 

কনসেশন কেবলই একটি সাধারণ চুক্তি নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকে তা উন্নয়ন-অগ্রগতির একটি শক্তিশালী নিয়ামকও। এ ধরনের পদক্ষেপ প্রকৃত অর্থে আমাদের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয় এবং বাংলাদেশকে বৈশ্বিক মঞ্চে দৃঢ় অবস্থান তৈরিতে সহায়তা করে।

লেখক : চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

সময়ের আলো/কেএইচও


  বিষয়:   বন্দর ব্যবস্থাপনা  আধুনিকায়ন 


Loading...
Loading...
- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: