পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চলছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। বৈশ্বিক আসরই বয়কট করতে পারে এশিয়ার দলটি, এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার বাবর আজমদের বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি দিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের নির্দেশ দিয়েছে।
এরপর থেকেই চারদিক থেকে আসছে প্রতিক্রিয়া। ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা এনিয়ে বেশ সরব। আজতাক-এর সঙ্গে কথা বলার সময় গাভাস্কার বলেন, পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অবসর থেকে সরে আসার মতো এই সিদ্ধান্তেও পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা প্রবল।
‘আগামী দুই থেকে চার দিনের মধ্যে, যখন বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া আসবে, যখন তাদের নিজেদের (সাবেক) ক্রিকেটারদের প্রতিক্রিয়া আসবে, তখন পাকিস্তান তাদের (ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কটের) সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে।’
‘আমরা আগেও দেখেছি যে, পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা অবসর নিচ্ছে এবং তারপর কয়েক দিনের মধ্যেই তারা আবার সিদ্ধান্ত বদলে ফেলছে। তারা তখন বলে, ‘আমাদের ভক্তরা বলেছে যে, তোমাকে খেলা চালিয়ে যেতে হবে।’ তাই ভারত ম্যাচটির ক্ষেত্রেও এটি ঘটতে পারে। তাদের দেশবাসী ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে এবং তারপরে তারা মূল সিদ্ধান্তটিতে বদল আনতে পারে। তাদের ক্রিকেটাররা এমন উদাহরণ স্থাপন করেছে এবং এখানেও একই ঘটনা ঘটতে পারে।’
এই সিদ্ধান্তের কোনো কারণ যদিও উল্লেখ করেনি পাকিস্তান। তবে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া নিয়ে আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলেছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তখনই তিনি বলেছিলেন, টুর্নামেন্টে পাকিস্তান দলের খেলা নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।
ভারত ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পাকিস্তানকে নিয়ে টিপ্পনী কাটছেন অনেকেই। তুলে ধরা হচ্ছে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বৈশ্বিক আসরের পরিসংখ্যান।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে আট ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়ে সবগুলোই হেরেছে পাকিস্তান। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আটবারের দেখায় তাদের জয় কেবল একটিতে। এই সংস্করণে ভারতের বিপক্ষে মোট ১৬ ম্যাচ খেলে ১৩টিতেই হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে তারা। গত এশিয়া কাপে তিনবারের দেখায় হেরেছে তিনটিতেই।
সময়ের আলো/এআর